fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

শাসক দলের লাগামহীন দুর্নীতি, গণতন্ত্র বাঁচাও, নারী ধর্ষণ সহ একাধিক ইস্যুতে ধরনায় বসল বিজেপি

মিল্টন পাল, মালদা: শাসক দলের লাগামহীন দুর্নীতি, গণতন্ত্র বাঁচাও, নারী ধর্ষণ সহ একাধিক ইস্যুতে জেলা প্রশাসনিক ভবনে বিক্ষোভ বিজেপির। অন্যদিকে জেলা প্রশাসনের কাছে আগে থেকেই ধরনা বিক্ষোভের অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। আগে থেকে জানানো হলেও ধরনা মঞ্চ বাঁধার সময় তারা হঠাৎ বলে মাইক লাগানো যাবে না। এটা কোন ধরণের অসভ্যতা। কোন আইন।জেলাশাসক থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের অঙ্গুলিহেলনে এধরণের ন্যক্কারজনক আচরণ করেছে। আসলেই বিজেপিকে দেখে তারা আতঙ্কিত। আর এ ধরনের আধিকারিকদের ২০২১ এর পর আমরা দেখে নেবো। শুক্রবার জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে ধর্না মঞ্চে এভাবেই জেলা প্রশাসনিক আধিকারিকদের বিরুদ্ধে হুঙ্কার দেন। এছাড়াও চাঁচলের মহুুকুমা শাসকের দপ্তরের সামনে উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মুর নেতৃত্বে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
জানা গিয়েছে গণতন্ত্র বাঁচাও, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল সরকারের সীমাহীন দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজ্য জুড়ে বিজেপির বিক্ষোভ। সেই মতো মালদার ইংরেজবাজারের জেলা প্রশাসনিক ভবনে ও চাঁচলের সদর মহুুকুমা শাসকের দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। যেভাবে দিন দিন পঞ্চায়েত, গ্রাম পঞ্চায়েতে লাগামহীন দুর্নীতি করছে তার কোনও উত্তর নেই। নির্বিকার পুলিশ থেকে প্রশাসন। আর যার জন্য বার বারন্ত শাসকদলের নেতা কর্মীদের। অন্যদিকে নারীদের ধর্ষণ হলেও তাদের ধর্ষকদের কোনও শাস্তি হচ্ছে না। এদিন তার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে প্রশাসনিক ভবনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বিজেপির রাজ্য সহ-সভাপতি বিশ্বপ্রিয় রায় চৌধুরী বলেন,সরকার চলছেনা সার্কাস চলছে। কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। রাজ্যজুড়ে তৃণমূল হিংসার পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। উত্তর দিনাজপুরে আমাদের কর্মীকে পুলিশ হত্যা করেছে। এই সব কিছুর প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে আমাদের এই কর্মসূচি। অন্যদিকে চাচোল এর মহকুমা শাসকের দপ্তরে সামনেও উত্তর মালদার সংসদ এর নেতৃত্বে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন হয়। উত্তর মালদার সংসদ রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন।
 দুটি কর্মসূচিতেই বিজেপির জেলার নেতৃত্বসহ কয়েকশো কর্মী-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।

Related Articles

Back to top button
Close