fbpx
হেডলাইন

হু হু করে বাড়ছে নদীর জলস্তর, আতঙ্কিত বাসিন্দারা, বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন বিজেপি নেতা

মিল্টন পাল, মালদা: মালদা জেলার মহানন্দা,ফুলহার ও গঙ্গা নদীতে হু হু করে বাড়ছে জলস্তর। স্বাভাবিক ভাবে নদীর তীরবর্তী গ্রামগুলির বাসিন্দারা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।

বিগত কয়েক দিনে মালদা জেলায় যেভাবে ফুলহার ও গঙ্গা নদীতে ভাঙন হয়েছে। এ বছরও তার ব্যতিক্রম নয়। জেলার মহানন্দা টোলা, বিলাই মারি, ঝাপারী টোলার ইতিমধ্যে বহু চাষযোগ্য জমি জলের তলায় তলিয়ে গিয়েছে। জলের তলায় গিয়েছে বসতভিটাও। গ্রামবাসীদের অভিযোগ এই ভাঙন রোধের কাজ ঠিকমতো করা না হলে যেভাবে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে নদীতে তাতে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই সমস্ত কিছু জলের তলায় তলিয়ে যাবে। প্রতিবছর এত ভাঙন হলেও প্রশাসনের ভাঙন রোধের কাজে কোনো উদ্যোগ নেই। অন্যদিকে পুরাতন মালদার মুচিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকা টাউন নদীর জলে প্লাবিত। জলবন্দি বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ।

আরও পড়ুন: রেলপথের জরুরি মেরামতি, নজরদারির জন্য নয়া উদ্ভাবন ‘রেল বাইসাইকেল’: পীযূষ গোয়েল

ইতিমধ্যেই সাহায্যের জন্য জেলা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছে মুচিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শুভ লক্ষী গাইন। শুক্রবার বন্যা পরিস্থিতি ক্ষতিয়ে দেখেন উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। বেশ কিছুদিন আগেই উত্তরবঙ্গ জুড়ে টানা বৃষ্টির কারণে মালদা জেলার মহানন্দা,ফুলহার,গঙ্গা নদীর জল বাড়তে শুরু করে।ইতিমধ্যেই ইংরেজবাজার ও পুরাতন মালদা পৌরসভার মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া মহানন্দা নদীতে জলস্তর ছেড়েছে। যার ফলে নদী তীরবর্তী এলাকায় বহু বাড়িতে জল ঢুকে গিয়েছে। বর্তমানে তারা উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।

 

অন্যদিকে বৈষ্ণবনগর ও কালিয়াচক ৩ নম্বর ব্লকের পারদেওনাপুর সহ একাধিক এলাকায় ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ প্রতিবছর জল বাড়ার কারণে যেভাবে ভাঙ্গন হয় প্রশাসন ভাঙ্গন রোধের কাজ করতে ব্যর্থ। প্রশাসন যদি সঠিক সময়ে সঠিক ভাঙন রোধে কাজ করে তাহলে মানুষকে এই ভোগান্তি পোহাতে হয় না। বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, বন্যা ভাঙন মালদা জেলার অন্যতম কারণ। উত্তর ভারত ও বিহারের জল নামার কারণে নদীতে জলস্তর বাড়ছে।এই রাজ্য সরকার মানুষের জন্য কাজ করেনা। শুধু লুঠপাট করে। যার ফলে বন্যা কি ভাঙন কোন কাজেই। প্রশাসন যাতে এই ব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি দেয়। কারণ যে কোন মুহূর্তে মালদা জেলা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকা প্লাবিত হতে পারে।খুব দ্রুততার সাথে যাতে মানুষকে উদ্ধার করা যায় সে বিষয়ে প্রশাসনের কাছে ভারতীয় জনতা পার্টি অনুরোধ করছে।

মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌর চন্দ্র মন্ডল বলেন, অসংরক্ষিত এলাকায় প্রতিবছর জল ঢুকে যায় যার ফলে বহু মানুষ প্লাবিত হয়। ইতিমধ্যে মানিকচক ডোমম,হাট হরিশ্চন্দ্রপুর,ভাকুরিয়া সহ একাধিক এলাকায় জল ঢুকেছে। ভাঙ্গানও হচ্ছে। ইতিমধ্যেই আমাদের রাজ্য সরকার বর্ষার আগেই ভাঙন রোধের কাজ করেছে। আমরা বিষয়টির ওপর নজর রেখেছি।ভাঙন কবলিত ব্লকের বিডিওদের বলা হয়েছে যেসব জায়গায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেখানে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার জন্য। সেচ দফতরকে বলা হয়েছে জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধের কাজ করার

Related Articles

Back to top button
Close