fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

মুখ্যমন্ত্রীর মুখে সৌজন্যের বার্তা কিন্তু কাজে বিরোধীতা, দ্বিচারিতা কেন? জগন্নাথ

শ্যামল কান্তি বিশ্বাস, রানাঘাট : মুখ্যমন্ত্রীর কথা ও কাজের মধ্যে কোন মিল নেই। করোনা সহ আমফান পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিরোধীদের সকলকে একসঙ্গে নিয়ে চলার বার্তা মুখে আওড়ালেও বাস্তবে হাঁটছেন বিপরীত মেরুতে। বিজেপি সহ রাজ্যের শাসক বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির জনপ্রতিনিধিদের আমফান বিদ্ধস্ত এলাকা পরিদর্শন সহ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণে বাধা দেওয়া হচ্ছে।

 

 

জগন্নাথবাবুর আরো অভিযোগ, বিজেপির ১৮ জন সাংসদ কেই গৃহবন্দি করে রাখার জঘন্ন চেষ্টা চলছে।রাজ্য সম্পাদক দিলীপ ঘোষকে আমফান পরবর্তী পরিস্থিতি পরিদর্শনে পর পর দু’দিন বাঁধা দেওয়া হয়েছে।আমি রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ,আমারই এলাকাধীন নবদ্বীপ চর মাজদিয়া গ্ৰাম পঞ্চায়েত এলাকার কার্গিল পাড়া কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে অবস্থানরত ভিনরাজ্য থেকে আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের অভাব, অভিযোগ সহ দুর্দশার কথা শোনা সহ পরিস্থিতি উপলব্ধির সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়েছিলাম বলে,গত পরশু রাতে আমার বাড়িতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নোটিশ ধরানো হয়েছে।অভিযোগ, আমি পরিযায়ী শ্রমিকদের সংস্পর্শে এসেছি, আমাকে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। আমার প্রশ্ন,ঐ একই জায়গায় একই দিনে নবদ্বীপের পৌর প্রধান তৃণমূলের বিমান কৃষ্ণ সাহা ও ঐ কোয়ারেন্টাইনে সেন্টার পরিদর্শনে গিয়েছিলেন,তাকে কিন্তু জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও নোটিশ ধরানো হয় নি। তাহলে এক ই যাত্রায় দু’রকম ফল কেন?

 

 

তিনি আরো বলেন,  দিদিমনি আর কতো নাটক করবেন! অভিমত সাংসদ জগন্নাথ সরকারের। ঘটনায় নবদ্বীপের তৃণমূল বিধায়ক পুন্ডরীকাক্ষ সাহা ওড়ফে নন্দ সাহা-র প্রতিক্রিয়া, পৌর প্রধান বিমান কৃষ্ণ বাবু তো স্থানীয় অর্থাৎ নবদ্বীপের ই বাসিন্দা, ওনাকে কোয়রান্টিনে থাকতে হবে কেন, যেহেতু জগন্নাথ সরকার নবদ্বীপের বাইরের লোক,তাই জগন্নাথ বাবু কেই কোয়রান্টিনে থাকতে হবে। সার্বিক ঘটনায় বিস্মৃত এলাকার জনগণ।

Related Articles

Back to top button
Close