fbpx
কলকাতাহেডলাইন

করোনা মোকাবিলায় ভাষনবাজি নয়, রেশন চাই! বিস্ফোরক জয় বন্দ্যোপাধ্যায়

রক্তিম দাশ, কলকাতাঃ করোনা মোকাবিলায় ভাষণবাজি নয়, গরীব মানুষের জন্য রেশন চাই বলে বিষ্ফোরক মন্তব্য করলেন বিজেপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তথা অভিনেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার দক্ষিণ কলকাতার পূর্বাচলে বিজেপির আয়োজিত ত্রাণ বিতরণ অনুষ্টানে তিনি একথা বলেন।

 

এদিন যাদপুরের বিজেপির নেতা গোবিন্দ দাসের উদ্যোগে ১০৬ ওর্য়াডের পূর্বাচলে স্থানীয় গেরুয়া শিবিরের কর্মীদের সহযোগিতায় ২০০ দুঃস্থ পরিবারের হাতে সাতদিনে রেশন চাল,ডাল, আটা, ডিম, নুন, মুড়ি,আলু, পেঁয়াজ এবং সোয়াবিন তুলে দেন জয় বন্দ্যোপাধ্যায়, বিজেপির দক্ষিণ শহরতলির সভাপতি সোমনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিজেপি নেতা কাজল ভৌমিক।

জয় বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন অভিযোগ করে বলেন, ‘রাজ্য সরকার এফসিআই থেকে তাদের কোটার চাল দেরি করে তুলেছে। যাঁর কারণে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামবিলাস পাশোয়নের ছেলে সাংসদ চিরাগ পাশোয়ান এবং পূর্ব ভারতে ফুড কর্পোরেশেনের জিএমের সঙ্গে আমার এবিষয়ে কথা হয়েছে। তাঁরা আমাকে জানিয়েছেন, সব রাজ্যকেই কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছিল দ্রুত চাল তুলে নেওয়ার জন্য। অন্য রাজ্য তা শুরু করলে পশ্চিমবঙ্গ সরকার তা ২০ এপ্রিল থেকে তুলতে শুরু করেছে। প্রতি রেশন কার্ড পিছু মাসে ৫ কেজি চাল, ১ কেজি করে ডাল দেওয়া হবে। তিনমাস দেওয়া হবে বিনামূল্যে।’

এখন রাজনীতি না করে মানুষের পাশে সর্বশক্তি নিয়ে দাঁড়াতে হবে বলে জয়বাবু বলেন, ‘এফসিআইয়ের চাল নিয়ে রাজ্যের গাফিলতি আছে। তবু সবাইকে বলব এখন ভাষণবাজির সময় নয়। গরীব মানুষের জন্য রেশন চাই। সবাই সামাজিক মাধ্যমে সমলোচনা বন্ধ করে আসুন আমরা নিজেরা ভাল কাজ করি। মানুষের সেবা করতে চাইলে সব বাঁধাকেই অতিক্রম করা সম্ভব।’

 

এফসিআইয়ের চাল নিন্মমানের, তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে জয়বাবু বলেন,‘ এই চাল তো সেভাবে বন্টনই শুরু হয়নি। উনি কি করে বললেন? দেখালাম অনুব্রতবাবু সংবাদমাধ্যমে রাজ্য সরকারের চাল দেখাচ্ছেন। কেন্দ্র সরকারের চাল সেভাবে তুলে ধরে দেখালেন না। আমি বলব,তৃণমূল নেতারা যাঁরা চাল,ডাল, ব্যাংকের টাকা মেরে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠছে,তাঁদের কোনও পাপের ভয় নেই? এসময় কেউ এসব করে।’ বিজেপির সাংসদদের ত্রাণ দিতে আটকানো তিনি বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীকে বলব, আগামী বিধানসভার ভোটের দিকে নজর না রেখে এটাকে মহা দুর্যোগ ভেবে এগুলো বন্ধ করুন। ভোট নিয়ে ভাববার এখনও অনেক সময় আছে।’

Related Articles

Back to top button
Close