fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

‘দিদির দল কৃষকদের নিয়ে কালোবাজারি করতে পারবে না বলেই আন্দোলনে নেমেছে দল’ : জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো

বাবলু ব্যানার্জি, কোলাঘাট: কৃষকরা স্বাধীনভাবে তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য পাবে, এটা তাদের অধিকার। এর বিরোধিতার কোনও প্রশ্নই উঠতে পারে না। আসলে তা নয়, দিদির দল কৃষকদের নিয়ে যে কালোবাজারি করছো তা বন্ধ হয়ে যাবে বলেই আজ তৃণমূল সহ অন্যান্য দলগুলি পথে নেমেছে। বিজেপি চাষীদের পাশে আছে, আগামী দিনেও থাকবে বলে জানালেন পুরুলিয়ার বিজেপি সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো।

বুধবার শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লক-এর হাকোল্লা, রামচন্দ্রপুর, শান্তিপুর, দাড়িওয়ালা, চিত্রা সহ বেশ কয়েকটি গ্রামে ‘চায়ে পে চর্চা’তে যোগদান করে জানালেন এই সাতসকালে বিভিন্ন স্থানের মানুষের অভিব্যক্তি এই সরকার থেকে তাঁরা পরিত্রাণ পেতে চায়। মানুষের মধ্যে এই উৎসাহ দেখে আপ্লুত। তিনি বলেন, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা থেকে তৃণমূলের উত্থান হয়েছিল, এই জেলা থেকেই তৃণমূলের পতন শুরু হবে। মানুষ তার গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারলেই এই সরকারকে রাখবে না, ২০২১ সালে কথাটা মিলিয়ে নেবেন। চিত্রটা পরিষ্কার হয়ে গেছে পায়ের তলার জমি সরে গেছে। শুরু করে দিয়েছে সন্ত্রাসের বাতাবরণ। ময়না, কাঁথি থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্থানে বিজেপি কর্মীরা খুন হচ্ছে। প্রশাসন মিথ্যা মামলা দিচ্ছে বিজেপি কর্মীদের।

পরিবর্তন মানুষই আনবে আর তখন এসবের উত্তর যাওয়া হবে বর্তমান শাসক দলের কাছ থেকে। সামান্য কয়েকটা মাস পর কেবল অপেক্ষা করুন। ছাত্র-যুব থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে নবজাগরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।শাসকদলের আর ‘হচ্ছে হবের ‘প্রতিশ্রুতি দিকে মানুষ আর থাকতে চাইছে না। রুটি রোজগারের জন্য বিজেপি শাসিত পশ্চিমবাংলা সরকার হোক এটাই চাইছে কৃষক থেকে শুরু করে সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষরা।

জেলা নেতৃত্ব দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ মাইতি ও জেলার অন্যতম বিজেপি নেতা বামদেব গুছাইত সহ ব্লক স্তরের নেতৃত্ব। বামদেব গুছাইত এক সাক্ষাৎকারে বলেন সাতসকালেই এই কর্মসূচি মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। সমস্ত দিকের কথা ভেবেই এই সরকার ক্ষমতায় থাকার প্রয়োজনীয়তা নষ্ট করে ফেলেছে। যেখানে এত সমস্যা সেই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার আর লক্ষণ নেই। তাই তো এখন বাংলায় পুনরায় মসনদ দখল করার জন্য বিভিন্ন স্থানে ছুটে বেড়াচ্ছেন।

Related Articles

Back to top button
Close