fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

করোনা সংক্রমণের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে রাজনীতি করছে রাজ্যের শাসক দল: প্রবীন আগরওয়াল

কৃষ্ণা দাস, শিলিগুড়ি: “করোনা সংক্রমনের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে রাজনীতি চালাচ্ছে শাসক দলে তৃণমূল নেতারা। আর বিরোধীদের কোনঠাসা করে নিজেরাই করোনা পজিটিভ হয়েও জনসংযোগে ঘুরে বেরাচ্ছে”- জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যকলাপ নিয়ে ফের একবার কটাক্ষ করলেন বিজেপি’র দার্জিলিং জেলা সভাপতি প্রবীন আগরওয়াল।
পাশাপাশি, শাসক দলের নেতাদের টেস্ট রিপোর্ট ২৪ ঘন্টার মধ্যে এলেও,  সাধারণ মানুষের রিপোর্ট আসতে সময় লাগছে বলে অভিযোগ তুলে সকলের করোনা টেস্ট রিপোর্ট ২৪ ঘন্টার মধ্যে দেওয়ার দাবী সহ একাধিক দাবীতে মহকুমা শাসকের দ্বারস্থ  হল জেলা বিজেপি। বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ি জেলা বিজেপির সাংগঠনিক সভাপতি প্রবীন আগরওয়াল ও রাজ্য সম্পাদক রথীন বোসের নেতৃত্বে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা মাল্লাগুড়িতে মহকুমা শাসকের দপ্তরে গিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করে।
প্রবীন আগরওয়ালের আরও অভিযোগ, সম্প্রতি জেলার প্রথম সারির দুইজন তৃণমূল নেতা করোনা সংক্রমন ধরা পরে। কিন্তু তার আগে তারা বেশ কিছু দলীয় কর্মসূচিতে অংশ গ্রহন করেন। সেখানে প্রশাসনিক আধিকারিক থেকে শুরু করে মন্ত্রীরও সংস্পর্শে আসেন সেই নেতারা। এরপর তাদের করোনা টেস্ট করতে দেওয়ার ১২-১৪ ঘন্টার মধ্যেই তারা রিপোর্ট পেয়ে যায়। অথচ করোনা টেস্ট করতে দিয়ে সেই রিপোর্ট না আসার আগে কি করে তারা দলীয় কর্মসুচিতে অংশ গ্রহণ করেন? সেই প্রশ্ন তুলে ধরেন তিনি। পাশাপাশি তার আরও অভিযোগ, শিলিগুড়ির বড় নার্সিং হোমগুলিতে তৃণমূল নেতারা সহজেই চিকিৎসার সুযোগ পেলেও বিজেপি কিংবা সাধারণ মানুষের জন্য সেখানে কোন বেড পাওয়া যায় না!  তার অভিযোগ করোনার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে রাজনীতি করছে শাসক দলের নেতারা।
তার দাবী, এনজেপি স্টেশানে করোনা আক্রান্তদের রেখে চিকিৎসার জন্য একটি ট্রেন ২০ টি কোচের আইসোলেশান করে প্রস্তুত করে রেখেছে কেন্দ্র সরকার।  কিন্তু তার অভিযোগ রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের সুবিধা নিতে চায় না। এমনকি এই ট্রেনের কথা স্বীকারও করে না। এদিকে সম্প্রতি পেট্রোপন্যের মুল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে গোটা রাজ্যের পাশাপাশি এনজেপি স্টেশানে সামনে তৃণমূলের অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি হয়। সেই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব। এদিন একজন তৃণমূল নেতা পর্যটন মন্ত্রীর প্রায় কাছেই ছিলেন। সেদিনই তার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। অথচ পর্যটন মন্ত্রী এদিন প্রায় সারাদিন কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেন। যদিও কর্মসূচিতে অংশগ্রহন করার পর ওই নেতা রিপোর্ট পান। কিন্তু বিজেপি’র সাংসদ রাজু বিস্ত যখন দিল্লি থেকে নিজের সাংসদ অঞ্চলে আসেন তখন এই তৃণমূলই পরিযায়ী নেতা আখ্যা দিয়ে তাকে ১৪দিন হোম কোয়ানন্টাইনে থাকতে দাবী করেন। প্রবীন বাবু প্রশ্ন তোলেন, তাহলে এখন জেলায় কারা করোনা ছড়াছে? বকলমে তার বক্তব্য, তৃণমূলের নেতাদের হাত ধরেই জেলায় করোনা সংক্রমন ছড়াচ্ছে।

Related Articles

Back to top button
Close