fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

দিদির সরকার কুম্ভকর্ণের নিদ্রায় শুয়ে আছে: রাহুল

রক্তিম দাশ, কলকাতা: স্বাস্থ্য থেকে পরিবহণ- দিদির সরকার কুম্ভকর্ণের নিদ্রায় শুয়ে আছে বলে সোমবার কটাক্ষ করলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাহুল সিনাহা।

এদিন কসবায় বিজেপির আয়োজিত একটি ত্রাণদান অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
এদিন রাহুল সিনাহা বলেন, ‘আমি গতকালও বলেছিলাম নার্সরা চলে যাচ্ছেন ওঁদের আটকানোর ব্যবস্থা  করুন। কিন্তু এখনও তার কোনও সুরাহা হল না। বেসরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার মুখে। দিদির সরকার কুম্ভকর্ণের নিন্দ্রায় শুয়ে রয়েছে। ভাবতে অবাক লাগছে, সরকারের কোন হেলদোল নেই।’ রাজ্য সরকারকে রাহুল সিনাহার পরামর্শ,‘সংশ্লিষ্ট রাজ্যগলোর সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রক কথা বলুক অবিলম্বে। সরকারের এই গা ছাড়া মনোভাব ভয়ঙ্কর বিপদ যেকে আনতে যাচ্ছে।’

বেসরকারি বাসশ্রমিকদের বিমার দাবিতেও এদিন সোচ্চার হন বিজেপির এই কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক। এদিন রাহুলবাবু বলেন,‘ বেসরকারি বাসশ্রমিকদের অবশ্যই বিমা করতে হবে। যেমন মোদি সরকার স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে করেছে। বাস চালু হলে সেখানে বিভিন্ন রকমের যাত্রী উঠবেন। তাঁরা করোনা বহন করতেই পারেন। তাই সুরাক্ষার প্রশ্নে অবশ্যই বিমা করতে হবে।’

বাসের ভাড়া বাড়ানোর দাবি নিয়ে রাজ্য সরকারকে বাসমালিকদের সঙ্গে আলোচনায় বসে সমাধান সূত্র বার করার কথা বলেন রাহুলবাবু। তিনি বলেন,‘ ২০ জন নিয়ে বাস চললে পয়সা উঠবে না। কিন্তু আবার বেশি যাত্রী উঠলে সংক্রমণের ভয় আছে। তাই বাসমালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে রাজ্য সরকারকেই উপায় বার করতে হবে। কিন্তু বাসমালিকদের ফরমান জারি করে বাস চালাতে গেলে স্বাস্থ্যের মতো পরিবহণ বাংলায় বেহাল হয়ে যাবে।’

কেন্দ্রের আর্থিক প্যাকেজ আসলে সবক্ষেত্রে বেসরকারিকরণ, বিরোধিদের এই দাবিকে উড়িয়ে দিয়ে রাহুল সিনাহা বলেন,‘ এটা একদম মিথ্যা কথা বলছে তৃণমূল,বাম আর কংগ্রেসিরা। প্যাকেজের টাকা বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা গড়তে কাজে লাগাবে সরকার। আমার প্রশ্ন, কৃষি, মৌমাছি পালন, শ্রমিকদের টাকা দেওয়া, ক্ষুদ্র শিল্পে সাহায্য দেওয়া এটা বেসরকারিকরণ? কয়লাতো আগে বেসরকারি ছিল তারপর রাষ্ট্রিয় হয়ে কি লাভ হয়েছে? কত কোল ব্লক আমরা বাড়াতে পেরেছি? আন্তর্জাতিক ভাবে দাঁড়াতে গেলে এটা করতেই হবে। দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা করতে এর প্রয়োজন আছে। আর প্রতিরক্ষাকে বেঁচে দেওয়া হয়েছে বলে বলা হচ্ছে, এটাও মিথ্যা। প্রতিরক্ষায় সবসময় বিদেশ থেকে অস্ত্র কেনা হয়েছে। এখন আমরা নিজেরা বানাবো বলে টেকনলজি আর যন্ত্রাংশ বাইরে থেকে নেওয়া হবে। কিছু সংবেদনশিল ও গুরুত্বপূর্ন অস্ত্র আছে যা আমরা নিজেরাই বানাবো। এর ফলে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিজের পায়ে দাঁড়াবে।’

Related Articles

Back to top button
Close