fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

মুখ্যমন্ত্রীর ভার্চুয়াল ভাষণে হতাশ দলীয় কর্মীরা: জগন্নাথ

শ্যামল কান্তি বিশ্বাস,শান্তিপুর : মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২১ শে জুলাই শহীদ স্মরণে ভার্চুয়াল সভাকে কেন্দ্র করে মন্তব্য করতে গিয়ে বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর ভাষন শুনে দলের নিচুতলার নেতাকর্মীরা মুষড়ে পড়েছেন, চরম হতাশাগ্ৰস্থ। দলের অনেকেই দিশা হারিয়ে ফেলেছে,এখন ঐ সমস্ত নেতা কর্মীরা বুঝে উঠতে পারছেনা,এখন তারা কি করবে।

জগন্নাথ বাবুর আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর কথা বার্তার মধ্যদিয়ে ২০২১ এ পরাজয়ের ইঙ্গিত প্রকাশ পেয়েছে। আলোচলাটি বিষয়ের উপর সঙ্গতি না রেখে চরম হতাশায়, জনগনকে অনেকটা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ই দিয়ে গিয়েছেন এবং এ ঘটনা, মূলতঃ হতাশার ই বহিঃ প্রকাশ। জগন্নাথ বাবু আরো বলেন, রাজ্যের মানুষ আর ভাঁওতাবাজি তে
বিশ্বাস করবে না।

রাজ্যে এখন শাসক দলের বিরুদ্ধে আম জনতার স্বতঃস্ফূর্ত জনবিক্ষোভ চলছে।এ ক্ষোভ কোনো অবস্থাতেই উপসম্ হওয়ার নয়, মানুষ যথাসময়ে এর উপযুক্ত জবাব দেবে।এই দলের একের পর এক মিথ্যাচার, প্রশাসনের উপর দলতন্ত্র কায়েম করে নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করতে না দেওয়া, রেশনের চাল,ডাল ,আটা থেকে আমফানের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে ক্ষতিপূরণের টাকা না দিয়ে আত্মসাৎ! মানুষ আর কতো ধৈর্যের পরীক্ষা দেবে? স্বাস্থ্য, শিক্ষা,শিল্প, রাজ্যের সব পরিকাঠামো আজ ভেঙে পড়েছে, সারাদিন মিথ্যা বুলি, বাংলার মানুষ আর মেনে নিতে চাইছে না। এখন রাজ্যের যা অবস্থা, আমফানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির সঙ্গে যেভাবে বঞ্চনা করা হয়েছে, এবং এই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগলির সংখ্যা নিতান্তই কম নয়,এরা এবং এদের পরিবারের লোকজনেরা কি তৃণমূল কে আর ভোট দেবে? অনিবার্য পরাজয়, তৃণমূলের ২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে।তাই নিশ্চিত ভাবে গতকাল ই দলনেত্রী তৃনমূলের বিদায় ঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছেন তার বক্তব্যের মধ্যে। আগামী বছর তৃণমূলের ২১ শে জুলাই এর কর্মসূচি পালন করতে হলে আমাদের সরকারের কাছে ওনাকে কিংবা ওনার দলকে পারমিশন নিয়ে হবে,কারন তৃণমূল ঐ সময় এরাজ্যে বিরোধী আসনে বসবে, আমরা অর্থাৎ বিজেপিই রাজ্যে শাসন ক্ষমতায় থাকবে।

Related Articles

Back to top button
Close