fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বিজেপি করার অপরাধে মারধরের অভিযোগ সিভিক ভলেন্টিয়ার ও তার দলবলের বিরুদ্ধে

মিলন পণ্ডা, ভগবানপুর (পূর্ব মেদিনীপুর): সিভিক ভলেন্টিয়ার ও তার স্ত্রী এলাকায় তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য।মূলত দুটি কারণে প্রভাবশালী।তাই এলাকায় চলে বিজেপি কর্মীদের হুমকি, মারধর, দাপাদাপি এমনি অভিযোগ তুললো বিজেপি। এলাকার এক বাসিন্দা বিজেপি করার অপরাধে রাস্তা থেকে জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে তাকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল সিভিক ভলেন্টিয়ার তার দলবলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভগবানপুর থানার পশ্চিমবাড় গ্রামে। জখম বিজেপি কর্মীকে উদ্ধার করে ভগবানপুর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিজেপি কর্মীর হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। এই ঘটনার পর থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী। গোটা এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভগবানপুরে পশ্চিমবাড়ের বাসিন্দা ভূবন প্রধান এলাকায় বিজেপি কর্মী হিসাবে পরিচিত। ভূবন পশ্চিম মেদিনীপুরে খগড়পুরে একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মী হিসেবে কাজ করেন। রবিবার রাতে বাড়ি ফেরার সময় আচমকাই ভূবনের আটকায় এলাকার ভলেন্টিয়ার ও তৃণমূলের গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী রাজীব হাজরা দলবল অভিযোগ। রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর করে রাজীব সহ তার দলবল অভিযোগ।

ভূবনের চিৎকার শুনে অন্যরা ছুটে ফেলে পালিয়ে যায়। তারপরে রক্তাক্ত জখম বিজেপি ভূবনকে উদ্ধার করে ভগবানপুর গ্রামীন হাসপাতালে ভর্তি করেন। সোমবার সকালে ভগবানপুর থানায় সিভিক ভলেন্টিয়ার রাজীব সহ দলবলের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। বিজেপি কর্মী ভূবন প্রধান বলেন, এলাকায় বিজেপি করা যাবে না তৃণমূল দল করতে হবে।তৃণমূল দল না করার কারণেই রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে সিভিক ভলেন্টিয়ার সহ দলবল বেধড়ক মারধর করে। যদিও ওই ঘটনার পর সিভিক ভলেন্টিয়ার ও তার স্ত্রী পঞ্চায়েত সদস্যার কোনও প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।

ভগবানপুর বিজেপি নেতা দেবব্রত কর বলেন, সামনে বিধানসভা ভোট রয়েছে। ভগবানপুরে বিজেপি যথেষ্ট শক্তিশালী। আর বিজেপি এলাকায় কমানোর জন্য বিজেপি কর্মীদের রাতের অন্ধাকারে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর করছে তৃণমূল নেতারা। বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছি। ভগবানপুর থানার ওসি প্রণব রায় বলেন মারধরের ঘটনায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনা জড়িত রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Related Articles

Back to top button
Close