fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

দুয়ারে দুয়ারে নয়, বিজেপি মানুষের হৃদয়ে থাকতে চায়: তাপসী বিশ্বাস (প্রামাণিক)

শ্যামল কান্তি বিশ্বাস, কৃষ্ণনগর: দুয়ারে সরকার, কিন্তু কেন? স্থান, কাল, পাত্র অনুযায়ীই সব কিছু হবে, এটাইতো স্বাভাবিক ঘটনা এবং প্রত্যাশিত। কি এমন জরুরি অবস্থা তৈরি হয়ে গেল রাজ্যে যে সরকারকে এখন বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যেতে হচ্ছে? তাহলে বিরোধীদের অভিযোগ মেনে নিচ্ছেন তো মাননীয়া, রাজ্যের সরকারি অফিসগুলি থেকে জনসাধারণ ঠিক মতো পরিষেবা পান না, বিরোধীদের এই অভিযোগ দীর্ঘদিনের। আপনার মিথ্যাচার সহ তৃনমূলের নেতা কর্মীদের দুর্নীতি ঢাকতে এখন জনতার দরবারে পরিষেবা প্রদানে সরকারি কর্মচারীদের পাঠাতে হচ্ছে দুয়ারে। কোটি কোটি অর্থ ব্যায়ে বিজ্ঞাপন সহ এই বাড়তি পরিষেবা দিতে আর কত নাটক দেখাবেন রাজ্যবাসীকে। রাজ্যে এত’ই যদি উন্নয়ন হয়ে থাকে তবে কেন ভোটের আগে মানুষের দুয়ারে যেতে হবে নিজেদের ঢাক পেটাতে। আর রাজ্য সরকারের ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচি- বিজেপির “গৃহ সম্পর্ক” অভিযানের অনুকরণ! অভিমত ভারতীয় জনতা পার্টি, নদিয়া জেলা দক্ষিণের সম্পাদিকা তাপসী (বিশ্বাস) প্রামাণিকের।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, সাড়ে নয় বছর ঘুমিয়ে থেকে এখন নির্বাচনের আগে রাজ্য সরকারের মনে হল, অনেক কাজ বাকি, বহু পরিষেবা থেকেই রাজ্যবাসী বঞ্চিত এবং তাদের মন পেতে তৎপর হয়ে এই উদ্যোগ! বাংলার মানুষকে কি এরা বোকা পেয়েছে? মানুষ এদের ভাঁওতা সহ প্রতারণার ফাঁদে আর পা দেবেন না।এ যেন মৃত্যু কালে হরিনাম..,দুয়ারে সরকার, ছাত্রছাত্রীদের ট্যাব,রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ৩ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা! আগে বকেয়া ভাতা পরিশোধ করুন এবং কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের সমহারে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ভাতা চালু করুন, তা না করে ভোটের সামনে লালি পপ দেখাচ্ছেন? আর এই মহার্ঘ ভাতা তো ওদের নৈতিক অধিকার, এবং তা দিতে এত বিলম্ব কেন? এবং আন্দোলন করেই বা আদায় করতে হবে কেন,এই প্রশ্নের উত্তর চায়, রাজ্যের সরকারি কর্মচারীগণ সহ বাংলার জনগণ।

আরও পড়ুন: বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবসে ট্যাবলোর উদ্বোধন মেদিনীপুরে

জননেত্রী তাপসী (বিশ্বাস)প্রামাণিক আরও বলেন, ‘ওরা এখন ভোটের মুখে নানা প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে  দিতে জনগণের দরবারে যাচ্ছে,তবে আমার স্থির বিশ্বাস বাংলার মানুষ এদের ছলচাতুরিতে আর ভুলবেন না, কারণ আয়ুষ্মান ভারত, কৃষক সম্মান নিধি, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা,আমফান ক্ষতিপূরণ প্রভৃতি একাধিক সরকারি প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা থেকে রাজ্য সরকারের হঠকারী সিদ্ধান্ত সহ তৃণমূলের নেতা কর্মীদের বঞ্চনার শিকার হয়েছে রাজ্যবাসী। ফলে বাংলার মানুষের মনে এখন পরিবর্তনের আবহ, হৃদয়ে শুধু একটিই নাম বিজেপি এবং একমাত্র ভাবনা সবকা সাথ,সবটা বিকাশ,সবকা বিশ্বাস।

 

Related Articles

Back to top button
Close