fbpx
কলকাতাহেডলাইন

পুজো কমিটির মতো ঈদ কমিটিগুলিকেও আর্থিক অনুদান দেওয়া হোক, মমতার কাছে দাবি বিজেপির মাইনোরিটি মোর্চার

মোকতার হোসেন মন্ডল: পুজো কমিটির মতো ঈদ কমিটিগুলিকেও আর্থিক অনুদান দেওয়ার দাবি তুললেন বিজেপির মাইনোরিটি মোর্চার রাজ্য সহ সভাপতি সামসুর রহমান। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুজো কমিটিগুলিকে অনুদান দিয়েছেন। ঈদ কমিটিগুলিকেও আর্থিক সাহায্য করতে হবে বলে দাবি বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার। বিজেপির মাইনোরিটি মোর্চার রাজ্য সহ সভাপতি এক প্রেস বিবৃতিতে জানান,”রাজ্য সরকার যখন রাজ্যের ৩৭ হাজার পুজো কমিটিকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান হিসাবে দেবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন,তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে ঈদপালনকারী কমিটি গুলো কী দোষ করল। এরাজ্যে প্রায় ৩০ হাজারের মতো ঈদ উদযাপন করে বিভিন্ন ঈদগাহ কমিটি,  মসজিদ কমিটি বা মহল্লা।”

বিজেপি নেতা আরও জানান,” পুজো কমিটিগুলোকে অনুদান নিয়ে বির্তক দেখা দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর মুসলিম তোষন নিয়ে অভিযোগ আসাতে, হিন্দু ভোট উদ্ধারের কৌশল হিসেবে পুজারী ভাতা চালু করেন। এবারের পুজোয় পুজো কমিটি গুলোকে ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হিন্দু ভোট ফিরে পাবার এক প্রচেষ্টা।বিজেপি জুজু তাড়া করে বেড়াচ্ছে। এনিয়ে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা পর্যন্ত হয়েছে।  বামফ্রন্ট কে হারিয়ে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর সংখ্যালঘু ভোটব্যাংক ধরে রাখতে ২০১৩ সালের অক্টোবর মাসে রাজ্যের প্রায় ২৭,৭৮৪ জন ইমামকে আড়াই হাজার টাকা ও  ১৮,৮৭৪ জন মুয়াজ্জিনকে এক হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। যা নিয়ে হাইকোর্টে মামলাও হয়। তখন রাজ্য সরকার ওয়াকফ বোর্ডের দ্বারা ৫০০ কোটি টাকার ফান্ড তৈরি করে, যা কেন্দ্রীয় ওয়াকফ বোর্ডের মাধ্যমে প্রাপ্ত। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে জনগণের করের টাকাএভাবে পুজো কমিটিগুলোকে দেওয়া যায় কিনা? তাহলে ঈদ পালনকারী কমিটিরা কেন বাদ যায়। তারাও ন্যায়সঙ্গত কারণেই দাবীদার। মুখ্যমন্ত্রী বার বার সংখ্যালঘুূদের উন্নয়নের কথা বলেন। তার হাতেই সংখ্যালঘু উন্নয়ন দপ্তর, অতএব তিনি চাইলেই এটা করতে পারেন। ”

ওই বিজেপি নেতার মন্তব্য,”বাম জমানায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাচার কমিটির সুপারিশ গুলো বেশী সরব ছিলেন। এই টাকা পেলে মসজিদ কমিটিগুলি,মসজিদ বা ঈদগাহ সংস্কারের কাজ করতে পারবেন। অথবা উক্ত অর্থে দরিদ্র, আর্ত পরিবার গুলির খাদ্য দ্রব্য, পোশাক পরিচ্ছদ কিনে দিতে পারবেন। আমি দাবি করছি, মাননীয়া ৩৭ হাজার পুজো কমিটির সাথে সাথে ৩০ হাজার ঈদ পালন কমিটি গুলিকেও ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান দিক।”

Related Articles

Back to top button
Close