fbpx
অফবিটআন্তর্জাতিকহেডলাইন

অতি বিরল! দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এবার হ্যালোউইনের আকাশে ‘ব্লু-মুন’, পৃথিবীতে মৃত্যু হলেই আত্মারা নেমে আসেন এই দিন!

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: ৩১ অক্টোবর এক বিরল ঘটনার সাক্ষী থাকবে গোটা পৃথিবী। হ্যাঁ, ওই দিন হ্যালোউইনের রাত, বিদেহী আত্মারা না কি ওই দিন ধরাধামে ফিরে আসেন কাছের মানুষদের দেখতে। এই দিনটা নিয়ে একটু গা-ছমছমে ব্যাপার তো তাই আছেই। তবে সেই সঙ্গে রহস্য বাড়িয়ে দেবে নীল চাঁদ বা ব্লু মুন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে না কি এমন ঘটনা আর ঘটেইনি। ওই দিন সারা পৃথিবী থেকেই একসঙ্গে দেখা যাবে ব্লু মুন।

ইংরেজিতে একটি প্রবাদ চালু রয়েছে, ওয়ান্স ইন আ ব্লু মুন। অতি বিরল ঘটনা বোঝাতে ব্যবহার করা হয় প্রবাদটি। বিরল ঘটনাই বটে। ১৯৪৪ সালে শেষবার এমনটা হয়েছিল। ইতিহাস বলছে, ১৯৫৫ সালের হ্যালোউইনের রাতেও পূর্ণিমা ছিল !

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একটি দৃশ্য

ব্লু মুন কি সত্যিই নীল? বিজ্ঞানীরা বলছেন, লাল চাঁদ বা গোলাপি চাঁদ যেমন আক্ষরিক অর্থেই সেই রঙের হয়, ব্লু মুন ঠিক ততটা নয়। বিশেষ পরিবেশে নানা শর্ত মিলে গেলে একে নীলচে দেখাবে। তবে পৃথিবীর অধিকাংশ দেশ থেকেই একে দেখাবে খুব উজ্জ্বল, গোল।কোনও বছরের একই মাসে দু’বার পূর্ণিমার চাঁদ দেখা গেলে দ্বিতীয় পূর্ণিমার চাঁদকে বলা হয় ব্লু-মুন।  নামে ব্লু-মুন বা নীল চাঁদ হলেও নীল রঙের সঙ্গে এ চাঁদের কোনও সম্পর্ক নেই।  তবে একই দিন চন্দ্রগ্রহণ হলে চাঁদ রক্তিম রং ধারণ করে।  চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপর পড়ে।  ফলে ওই সময় চাঁদে লাল বা কমলা রঙের আভা দেখা যায়।

পৃথিবীর আকৃতি এবং ঘূর্ণনের জন্য সব জায়গায় একই সময়ে দেখা যাবে না ব্লু মুন।  একেক জায়গা থেকে একেক সময়ে ব্লু মুন দেখা যাবে। আমাদের দেশে ৩১ অক্টোবর, ২০২০ রাত ৮টার পর দেখা যাবে ব্লু মুন।

উল্লেখ্য, ১৯৪৫ সালের বিশ্বযুদ্ধে সারাবিশ্বে মৃত্যু হয় কয়েক লক্ষ মানুষের।  সেরকমই প্রায় ৭০বছর পর এবার ২০২০ সালে মহামারী করোনা ভাইরাসের কবলে পড়ে ইতিমধ্যেই সারা বিশ্বে প্রাণ হারিয়েছে প্রায় ৩ কোটি মানুষ।ইতিহাসের পাতায় মৃত্যুর ছোবলের সঙ্গে কিন্তু মিলিয়ে দিল বর্তমানের মহামারীকে। তারই কি সাক্ষ্য বহন করে ব্লু মুন?

Related Articles

Back to top button
Close