fbpx
কলকাতাহেডলাইন

খাস কলকাতায় উদ্ধার তরুণীর বস্তাবন্দি দেহ, চাঞ্চল্য একবালপুরে

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: সাতসকালে তরুণীর বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল খাস কলকাতার  এমএমআলি রোডে। মৃতের নাম সাবা খাতুন বলে জানা গিয়েছে। তবে এলাকায় নয়না নামেই পরিচিত ছিল সে। বছর ২২-এর যুবতী সাবা, ওয়ারশি লেন এলাকায় রেশমা নামে তাঁর এক বন্ধুর বাড়িতে গত ২ মাস ধরে ছিল বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। কী কারণে এই পরিণতি তরুণীর? সে বিষয়ে এখনও সম্পূর্ণ অন্ধকারে পুলিশ।

বৃহ্স্পতিবার সকালে একবালপুর  থানা এলাকার এমএম আলি রোডে কাগজ কুড়োনোর সময় একটি বস্তা নজরে পড়ে বেশ কয়েকজনের। সন্দেহ হওয়ায় তাঁরা বস্তাটি খুলতেই মেলে তরুণীর দেহে। স্বাভাবিকভাবেই এহেন ঘটনায় ভয় পেয়ে যান সকলে। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় একবালপুর থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে পাঠায় ময়নাতদন্তে। পুলিশ জানিয়েছে, তরুণীর গলায় মিলেছে আঘাতের চিহ্ন।

জানা গিয়েছে, বুধবার বিকেলে বন্ধুর বাড়ি থেকে বের হয় সাবা। তারপর সন্ধ্যা থেকেই তার আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল ফোনটি তারপর থেকেই সুইচড অফ ছিল বলে জানা গিয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরে রেশমা নামে এক বান্ধবীর সঙ্গে থাকতে শুরু করেছিলেন সাবা। রেশমা মাদক্তাসক্ত। বহু লোকের আনাগোনা ছিল তাঁর কাছে। তবে কি ঘটনার নেপথ্য যোগ রয়েছে রেশমার? হঠাৎ কেনই বা তাঁর সঙ্গে থাকতে শুরু করেছিল সাবা? কার সঙ্গে কী নিয়ে অশান্তির জেরে এই পরিণতি? কোথায়ই বা খুন করা হয়েছে তাঁকে? এসব একাধিক প্রশ্নের উত্তরের সন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশ অনুমান করেছিল যে অন্যকোথাও খুনের পর প্রমাণ লোপাটের জন্য বস্তায় ভরে সাবার দেহ ফেলে দেওয়া হয়েছিল ওই এলাকায়। তবে উঠে আসছে অন্য সন্দেহ। তদন্তকারীদের কথায়, প্রাথমিকভাবে দেখে মনে হচ্ছে আত্মঘাতী হয়েছে তরুণী।

আরও পড়ুন: রাজ্যের সম্মতি ছাড়া CBI-কে কোনও মামলায় যুক্ত করতে পারবে না কেন্দ্র: সুপ্রিম কোর্ট

অন্যদিকে এই ঘটনায় মৃতার কাকা জাকির হোসেন জানিয়েছেন, সাবা সব সময়ই নেশা করত। নেশা করার অভ্যাস ছিল তার। মায়ের মৃত্যুর পর থেকে ওয়াটগঞ্জ এলাকায় দিদার বাড়িতেই ছিল সে। কখনও কখনও আবার বাবার কাছে গিয়েও থাকত। নেশার অভ্যাস ছাড়ানোর জন্য ওর মামার বাড়ির আত্মীয়েরা সাবাকে মাস ছয়েক একটি রিহ্যাবিলেশন সেন্টারেও রেখেছিল। তারপর সেখান থেকে ফিরে আবার আবার মামার বাড়িতে গিয়েই ওঠে সাবা। তবে কিছুদিন পর থেকে রেশমা নামে ওই বন্ধুর বাড়িতে থাকতে শুরু করে। ইদানিং ওই বন্ধুর সঙ্গে বন্ধুর বাড়িতেই ছিল সাবা।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close