fbpx
অন্যান্যঅফবিটগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

কাঁচকে কাজে লাগিয়েই বোহেমিয়া আজ বিখ্যাত

প্রাগ, (সংবাদ সংস্থা): চেক প্রজাতন্ত্রের উত্তরে অবস্থিত অঞ্চলটি কাঁচ শিল্প আজ বিশ্বখ্যাত হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখানকার বিখ্যাত ডিজাইনারদের সৃষ্টি নজরকাড়া। কঠিন পরিশ্রম সত্ত্বেও তাদের মনে আবেগ ভরপুর। যেভাবে ঐতিহ্যবাহী কাঁচ শিল্পের বৈচিত্র্য তুলে ধরেছে লাসভিট ব্র্যান্ড। নভি বর নামের ছোট শহরের এই কাঁচের কারখানার কারিগররা হাতে করে নানা আকার ও রংয়ের সূক্ষ্ণ কাজ করে চলেছেন। তবে এতে শ্রমিকদের মনে কোনও কষ্ট নেই। তারা খুব আনন্দ নিয়েই এই কাজগুলো করেন। কারখানার প্রধান কারিগর ডাভিড শেভচিক মনে করেন, কাঁচের প্রতি ভালোবাসা না থাকলে এটি নিয়ে আপনি কাজ করতে পারবেন না। অত্যন্ত কঠিন পরিশ্রম ও আবেগের কাজ বলে ভালোবেসে করতে হয়।

২০০৭ সালে এই কারখানায় কাজ শুরু হয়। অর্ডার অনুযায়ী বিলাসবহুল হোটেলের মতো বড় বড় জায়গায় কাজ করেছেন তারা। এমনকী ক্রেতাদের জন্য আধুনিক ডিজাইনের বিশেষ পণ্য তৈরি করে এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক স্তরে খ্যাতি অর্জন করেছে এই কোম্পানি। ডিজাইনারদের তালিকায় রয়েছেন জাহা হাদিদ, কাম্পানা ব্রাদার্স এবং আরিক লেভি। কোম্পানির সৃজনশীলতার মূলে রয়েছেন মাক্সিম ভেলচফস্কি। তিনি বলেন, কাঁচ নিয়ে কাজ করা মানে সেটির স্বচ্ছতা স্থির করা নয়। শুরুতে কাঁচ তরল থাকে, শেষে কঠিন হয়ে ওঠে। আমরা এই অ্যালকেমি ও জাদু নিয়ে কাজ করি।

আরও পড়ুন: “আমি হাথরাসে যাব, যোগীর পদত্যাগ আর সুবিচার না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে” দিল্লিতে হুঙ্কার আজাদের

তারা বিভিন্ন ধরনের শোপিস থেকে শুরু করে ভাস্কর্যও তৈরি করেন। এই ভাস্কর্য তৈরি করতে হয় কয়েকটি ধাপে। প্রক্রিয়ার শুরুতে হাতে আঁকা এক স্কেচ থাকে। তারপর সেই আইডিয়ার ভিত্তিতে কম্পিউটারের পর্দায় মডেল তৈরির চেষ্টা হয়। এরপর থ্রিডি প্রিন্টারে সেটির নমুনা নেওয়া হয়। হাজার হাজার ছোট বুদবুদ দিয়ে প্রিন্ট হয় মডেল। এবার সেই মডেলকে বাস্তবে রূপ দেয়ার পালা। এই সময়টাতে বিশাল বুদবুদ ফোলাতে হয়। প্রযুক্তিবিদরা সেখানেই সেই বুদবুদকে চূড়ান্ত রূপ দেন। এই প্রক্রিয়ায় প্রায় ১৮,০০০ মুখে ফোলানো বুদবুদ দিয়ে ১৭ মিটার উঁচু ডুবুরির এক ভাস্কর্য তৈরি করা হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সৌলের এক বহুতল ভবনে ঢুকলে সেই ভাস্কর্য মানুষকে মুগ্ধ করছে।

Related Articles

Back to top button
Close