fbpx
পশ্চিমবঙ্গ

নৈহাটিতে অধ্যাপকের বাড়িতে বোমা, কাজিয়ায় বিজেপি-তৃণমূল

অলোক কুমার ঘোষ, ব্যারাকপুর: ফের উত্তপ্ত নৈহাটি। শুক্রবার গভীর রাতে নৈহাটি পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের ৭-র বিজয়নগর কালীতলা এলাকায় এক অধ্যাপকের বাড়িতে বোমা ফেলার অভিযোগ উঠল। যাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো হতবাক শ্রীরামপুর কলেজের অধ্যাপকে নীলাঞ্জন চট্টোপাধ্যায়।

        আরও পড়ুন: কেরলে ফের করোনা ভাইরাসের থাবা, ভুয়ো আতঙ্ক ছড়ানোর দায়ে ধৃত ৩

তাঁর বক্তব্য, “আমি কোন রাজনৈতিক দল করিনা । বিশেষ কোন দলের সমর্থক নই। আমার বাড়িতে কেউ কেন বোমা মারবে বুঝতে পারছি না। যদিও এ ঘটনা প্রসঙ্গে নৈহাটির বিজেপি নেতা সুব্রত দাসের ডাবু, ওই অধ্যাপকের বাড়িতে যখন বোমা পড়ে, তখনই তিনি ওই রাস্তা দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তাকে লক্ষ্য করেই দুষ্কৃতীরা বোমা ছুঁড়েছিল। কিন্তু লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে যাওয়ায় ওই অধ্যাপকের বাড়িতে গিয়ে পড়ে। এ বিষয়ে স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর সনৎ দে বলেন, ‘বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই বোমাবাজির ঘটনায় জড়িত। অশান্ত ভাটপাড়া তৈরী করতে চাইছে বিজেপি।’

স্থানীয় সূত্রে খবর, ওই রাতে আচমকাই বোমা পড়ায় রীতিমতো কেঁপে ওঠে অধ্যাপকের বাড়ি। সে সময় তিনি স্বপরিবারে ওই বাড়িতেই ছিলেন। বোমার আওয়াজে ভেঙে যায় বাড়ির কাচও। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে নৈহাটি থানার পুলিশ। আসেন তৃণমূল কাউন্সিলর সনৎ দেও। ঘটনার পর আতঙ্কিত অধ্যাপক নীলাঞ্জন চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘কেন কেউ বাড়িতে বোমা মারবে বুঝতে পারছি না। পুলিশকে বলেছি এই ঘটনায় দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে। আমি কেন দুষ্কৃতীদের লক্ষ্য হব, সেটাও বুঝতে পারছি না।’ কাউন্সিলর সনৎবাবু আরও বলেন, ‘বিজেপি নৈহাটিকে ভাটপাড়া বানাতে চাইছে । ২০০৮ সাল পর্যন্ত নৈহাটি অশান্ত ছিল। কিন্তু ২০০৯ সাল থেকে নৈহাটি শান্তই ছিল। এই লোকসভা ভোটে অর্জুন সিং জেতার পর আবার নৈহাটি অশান্ত হচ্ছে। গুলি বোমার শব্দে এলাকায় অশান্তি ছড়াচ্ছে।’

ঘটনার পর আক্রান্ত অধ্যাপক নীলাঞ্জন চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান বিজেপির নৈহাটি মণ্ডলের সভাপতি সুব্রত দাস। তিনি বলেন, “আমি যখন গতকাল রাতে ওই রাস্তা দিয়ে বাড়ি ফিরছিলাম, তখনই বোমার শব্দ পাই। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা আমাকে লক্ষ্য করে বোমা মেরেছিল। ভুল করে ওই বোমা ওই অধ্যাপকের বাড়িতে গিয়ে পড়েছে। তৃণমূল আমাকে দীর্ঘদিন ধরে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছে। এই ঘটনা আমাকে উদ্দেশ্য করেই ঘটনো হয়েছে। পুলিশকে আমি আমার আতঙ্কের কথা বলেছি ।” গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। যদিও এ ঘটনায় পুলিশ এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

sweta

Related Articles

Back to top button
Close