fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

লিড দিয়েও পুরস্কার না পাওয়ায় হতাশ বুথ সভাপতি

আশিস মণ্ডল, রামপুরহাট: “লিড দিয়েছি। কিন্তু পুরস্কার পাইনি। তাই আমরা দুঃখিত”। বীরভূমের রামপুরহাট ২ নম্বর ব্লকের কালুহা অঞ্চলের এক বুথ সভাপতি এমনটাই জানালেন দলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে। যদিও সাংবাদিক আছে বলে তাঁকে থামিয়ে দেন অনুব্রত।

বুথ ভিত্তিক কর্মী সম্মেলনের রামপুরহাট ২ নম্বর ব্লকের কালুহা, বুধিগ্রাম ও মাড়্গ্রাম ২ নম্বর অঞ্চলের সম্মেলন ছিল রবিবার। কড়কড়িয়া জয় তারা বিদ্যাপীঠে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন বোলপুরের সাংসদ অসিত মাল, সিউড়ির বিধায়ক অশোক চট্টোপাধ্যায়, জেলা পরিষদের মেন্টর রানা সিংহ, তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব ভট্টাচার্য, ব্লক সভাপতি সুকুমার মুখোপাধ্যায়।

সম্মেলনের শুরুতেই কালুহা অঞ্চলকে ডাকা হয়। অঞ্চলের শেষ বুথ ১৪৯ নম্বর। ওই বুথে সাতশোর বেশি ভোটে এগিয়ে ছিল লোকসভায়। যা অঞ্চলে সর্বাধিক লিড। বুথ সভাপতি ইয়াফর আলিকে অনুব্রত প্রশ্ন করেন “আপনি যে ভোটে জিতে আছেন তাতে আপনাকে কিছু জিজ্ঞাসা করলেন আপনি মারবেন আমাকে”।

ইয়াফর বলেন, “না মারব না। আমাদের দুঃখ আছে। আপনি বলেছিলেন সর্বাধিক ভোটে লিড দিলে পুরষ্কার দেওয়া হবে। কিন্তু আমরা পাইনি। তাই দুঃখ আছে”। এরপরেই ‘সাংবাদিক আছে’ বলে এড়িয়ে যান অনুব্রত। বুধিগ্রাম অঞ্চলে বেশ কিছু বুথে বিজেপির থেকে পিছিয়ে ছিল তৃণমূল।

এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কেউ বলেন, “মেরুকরণের ভোট হয়েছে। কেউ বলেছেন মানুষ আমাদের সঙ্গে ঘুরেছে, কিন্তু ভোট দিয়েছে বিজেপিকে। ২৩৭ নম্বর দিয়ারা গ্রামের বুথ সভাপতি শুভেন্দু মণ্ডল বলেন, “রাস্তা খারাপ থাকায় ভোটে পিছিয়ে ছিলাম”। তাকে থামিয়ে দিয়ে জেলা সভাপতি বলেন, “যা সমস্যা আছে লিখিত দিন”।

তবে শুভেন্দুবাবু সাংবাদিকদের বলেন, “গ্রামের ৫০০ মিটার রাস্তা খুব খারাপ। বৃষ্টি হলে কাদা জমে। এনিয়ে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে”। খামেড্ডা গ্রামের বুথ সভাপতি গাজিবুল শেখ বলেন, “আমরা ৯০০ ভোটে লিড দেব। ওই গ্রামে কোন দল নেই”।

ইশিরা গ্রামের বুথ সভাপতি বলেন, “আমরা ৭০০ তে ৭০০ ভোটেই লিড দেব”। বিরোধীদের দাবি ভোট লুঠ না করলে একশো শতাংশ ভোট হয় না। ওই সব এলাকায় ভোট লুঠ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে অভিযোগ করেন বিজেপির জেলা সহ সভাপতি রুপা মণ্ডল।

Related Articles

Back to top button
Close