fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে মিষ্টি মুখের মধ্য দিয়ে ইছামতি নদীতে বিসর্জনের রূপরেখা তৈরি হল

শ‍্যাম বিশ্বাস, উত্তর ২৪ পরগনা: অবশেষে ইছামতি নদীতে বিসর্জনের রূপরেখা তৈরি হল। দুই বাংলার বিসর্জন বিএসএফ ও বিজিবি পুলিশ পৌরসভার প্রশাসকের বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইছামতি নদীর বক্ষে বিসর্জন হবে।

এই সিদ্ধান্ত হয় যে, কেউ সীমান্তে জিরো পয়েন্টে লঙ্ঘন করবেনা। শুক্রবার দুপুর বেলায় টাকি ইচ্ছামতী নদী জিরো পয়েন্টে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর টু আইসি মোহাম্মদ সাহেব আলী, সাতক্ষীরা দেবহাটা থানার পুলিশ আধিকারিক এম ডি শফিউল ইসলাম। ভারতে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ১৫৩ নম্বর ব্যাটালিয়নের ইনচার্জ নিরাজ কুমার দাস, বসিরহাট পুলিশ জেলার ডিএসপি ট্রাফিক মহসিন আখতার, বিডিও অরিন্দম মুখার্জী সহ টাকি পৌরসভার প্রশাসকরা।

সব মিলিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে বিশ্ব মহামারী করোনা আবহের মধ্যে ইছামতি নদীতে ভাসান হবে। অল্প কিছু সংখ্যা প্রতিমার নৌকা নামবে ,কিন্তু কোন দর্শনার্থীদের নৌকা নদীতে নামবে না। পাশাপাশি ৫ থেকে ১০ জনের বেশি নৌকায় উঠতে পারবে না।

এছাড়াও নদীর পাড়ে মানুষ সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে ইছামতি নদীর ভাসান দেখতে পারবে। জমায়েত করা যাবে না ।সেটা একেবারে হাইকোর্ট নির্দেশ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে।

চারদিন ধরে ইছামতি নদীতে বিসর্জন হবে। বৃহস্পতিবার বিশ্ব মহামারী করোনা কারণে ইছামতি নদীতে ভাসান বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল টাকি পৌরসভা। এরপরে টাকি ও হাসনাবাদের বারোয়ারি পুজোর উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে জমিদার বাড়ি পুজোর কর্মকর্তারা টাকি পৌরসভার কাছে আবেদন জানিয়েছিল।তারা সম্পূর্ণ করোনার বিধি মেনে মেনে প্রতিমা বিসর্জন করবেন ইছামতি নদীতে। বেশকিছু পুজো উদ্যোক্তাদের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছিল টাকি পৌরসভার প্রশাসকদের কাছে।

এদিন দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে গোলাপ ফুলের শুভেচ্ছা বিনিময় মিষ্টিমুখ হয়।

Related Articles

Back to top button
Close