fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বাম-ডান সব আমলেই উপেক্ষিত বড়ডোবার সেতু, ক্ষুব্ধ এলাকার মানুষ

সব্যসাচী ঘোষ , ফালাকাটা : ফালাকাটা ১নং গ্রাম পঞ্চায়েত ও গুয়াবর নগর গ্রাম পঞ্চায়েত সংযোগে অবস্থিত মুজনাই নদীর ওপর অবস্থিত বড়ডোবার সেতু বড়োডোবা মৌজার সাথে ফালাকাটা শহরের সংযোগের একমাত্র মাধ্যম। শহরের বুকে অবস্থিত হলেও বড়োডোবার পরিস্থিত প্রতি বর্ষায় বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতোই হয়ে যায় মুজনাই নদীর জল বাড়লে অস্থায়ী সাঁকো ভেসে গেলে।

বড়ডোবার থেকে ফালাকাটায় আগত ব্যবসায়ী, ছাত্রছাত্রী, সকলকেই ফালাকাটায় ও ফালাকাটা থেকে গামী বিভিন্ন জায়গায় যেতে এই সেতুর ওপর দিয়েই যাওয়া আসা করতে হয়। গ্রীষ্মকালে জলের স্রোত না থাকলেও একটু বর্ষা হলেই মুজনাই নদীর ওপর বড়ডোবার এই অস্থায়ী সেতু জলের তোড়ে ভেসে যায়। অনুপায় ব্যবসায়ী কিংবা ছাত্রছাত্রীদের পাঁচ কিলোমিটার ঘিরে অথবা ঝুঁকিপূর্ণ ডিঙি চলাচল করে রাতবিরেতেও ফালাকাটা থেকে আসা যাওয়া করতে হয়। বেসরকারি উদ্যোগে চালু নৌকো বা ডিঙি তে পারাপার হতে প্রত্যেকের মাথা পিছু পাঁচ থেকে দশ টাকা খরচ হয়। দূরর্ঘটনাও ঘটেছে বেশ কয়েকবার বলে স্থানীয়রা জানান। অনুপায় বড়োডোবার বাসিন্দারা অপেক্ষায় থাকেন আবার গ্রীষ্মের মুজনাই এর জল কমার আশায়।

বড়ডোবার এই সেতু নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের। বাম আমল থেকে ডান আমলেও এই দাবি দাবিই থেকে গেছে প্রতিশ্রুতি পর্যবসিত হয়নি স্থায়ী পাকা সেতুর আদলে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ‘মুজনাই নদীর ওপর বড়োডোবার সেতু এলাকার দুই দশকের দাবি। কিন্তু আজও আমাদের এই গুরুত্বপূর্ণ দাবি উপেক্ষিত। ছাত্রছাত্রীরা ব্যবসায়ীরা এলাকাবাসী রাজনীতির ঊর্ধ্বে গিয়ে এই সেতুর নির্মাণ চান।’ স্থানীয়দের বক্তব্য মাত্র এক কিলোমিটার দূরে ফালাকাটা শহর কিন্তু বর্ষার এই মরসুমে প্রতিবারই সেতু নদীর জলে তলিয়ে যায়, জল কমলে বেসরকারি উদ্যোগে আবার নিজেদের জন্যই তড়িঘড়ি তা নির্মাণ করতে হয়। ছাত্রছাত্রী সহ প্রবীণ মানুষদেরও বাঁশের এই সাঁকো দিয়ে চলাচল করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বেশ কয়েকটি দূর্ঘটনাও ঘটেছে বলে জানান স্থানীয়রা। সন্ধ্যের পর চলাচল বন্ধ থাকে।

এমত অবস্থায় অতি সত্বর বড়োডোবার এই সেতুর স্থায়ী সমাধান চান কার্যত বিচ্ছিন্ন দ্বীপের বাসিন্দারা।

Related Articles

Back to top button
Close