fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

মন্তেশ্বরে বধূকে কুপিয়ে খুন

অভিষেক চৌধুরী, কালনা: বধূকে কুপিয়ে খুন! এমনিই অভিযোগ উঠলো স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে।এমনিই এক ঘটনায় ব্যাপক চান্চল্য ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরের আশুরি গ্রামে।মৃতার নাম সুমিত্রা দালাল(৩৩)।বাড়ি ওই গ্রামেই।খবর পেয়ে মন্তেশ্বর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় ও মৃতদেহ উদ্ধার করে।এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করে বধূর বাপের বাড়ির লোকজন। তার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ স্বামী ও শাশুড়িকে আটক করেছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায় যে, মন্তেশ্বরের জামনা পন্চায়েতের আশুরি গ্রামের বাসিন্দা পবন দালালের সঙ্গে কালনার নিরোলগাছির বাসিন্দা সুমিত্রার বিয়ে হয় বছর বারো আগে। তাদের একটি আটবছরের কণ্যাসন্তানও রয়েছে।অভিযোগ সুমিত্রার স্বামী পবন জয়পুরে কাজ করতো। গত জ্যৈষ্ঠ্য মাসে সে বাড়ি ফিরে আসে। এরপর থেকেই সে স্ত্রীকে বাপের বাড়ি বোনের বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য চাপ দিতো। চাপে পড়ে বেশ কয়েকবার সে টাকা আনে বলেও জানা যায়।এমনিই এক পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে সুমিত্রাকে কুপিয়ে খুন করা হয় বলে অভিযোগ।
এই বিষয়ে বধূর দাদা প্রদ্যুত দাস বলেন, ‘ধূমধাম করেই আমরা বোনের বিয়ে দিই।ষাট ভরি সোনার গহনা,দেড় লক্ষ টাকা সহ আসবাবপত্র সবই দেওয়া হয়। ওর স্বামী জয়পুরে কাজ করতো।সেখান থেকে ও কয়েকমাস আগে ফিরে আসে।আসার পরেই আমাদের কাছ থেকে টাকা আনার জন্য চাপ দিতো বোনকে।আমরাও বোনের সুখের কথা ভেবে সামর্থ্যমতো তা বাধ্য হয়েই দিতাম।অন্যান্য বোনেদের কাছ থেকেও সুমিত্রা দফায় দফায় টাকা নিতো। হঠাৎই আজ দুপুরে বোনের শ্বশুরবাড়ি পাড়ার লোকেরা ফোনে এই ঘটনার কথা জানায়।এরপরেই সেখানে গিয়ে দেখি বোনের স্বামী পবন ও শাশুড়ি শ্যামা বোনকে কুপিয়ে মেরে ফেলেছে।থানায় অভিযোগ জানিয়েছি।অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি জানাই।’ এই বিষয়ে জেলার অতিরিক্ত পুলিশসুপার ধ্রুব দাস বলেন,‘অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু হয়েছে।স্বামী ও শাশুড়িকে আটক করা হয়েছে।’

Related Articles

Back to top button
Close