fbpx
আন্তর্জাতিকগুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে ভারতে এলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, বৈঠক হবে নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে 

যুগশঙ্খ, ওয়েব ডেস্ক::ভারতে পা রাখলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। একগুচ্ছ কর্মসূচী নিয়ে ভারতে এসেছেন তিনি। আজ গুজরাটেই থাকার কথা তাঁর। শুক্রবার এখান থেকেই দিল্লি উড়ে যাবেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে বরিস জনসনের ভারতে আগমন বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিকমহল।

শুক্রবার নয়াদিল্লিতে বৈঠক হওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর। দুদিনের সফরে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার সকালে দু’দিনের সফরে তিনি গুজরাতের আমেদাবাদে এসেছেন তিনি।

সফরের মুখ্য উদ্দেশ্য, ভারত-ব্রিটেনের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য ‘ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট’ বা এফটিএকে জোরদার করা। ব্রিটিশ হাইকমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতে এসে বরিস জনসন জানিয়েছেন, দু’দেশের মধ্যে বিশাল সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি।

৫জি টেলিকম থেকে শুরু করে এআই, স্বাস্থ্য গবেষণায় দু’দেশের মধ্যে নতুন সম্পর্ক, পুনর্ব্যহারযোগ্য শক্তি, সবক্ষেত্রে ব্রিটেন এবং ভারত দুনিয়াকে নেতৃত্ব দেবে।

আজ বৃহস্পতিবার, সফরের প্রথম দিন, আহমেদাবাদে বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ এবং বাণিজ্যিক বিষয়গুলির উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা হবে, যার মধ্যে একটি বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন এবং একটি নতুন ব্যবসার পাশাপাশি কিছু সাংস্কৃতিক দর্শনীয় স্থান রয়েছে৷

শুক্রবার ২২ এপ্রিল সকালে জনসন দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন৷ এরপর তিনি মহাত্মা গান্ধির সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা জানাতে যাবেন। ওই দিনই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা।

এদিন বিকেলেই বরিস জনসন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গেও কথা বলবেন৷ দুপুর একটা নাগাদ হায়দরাবাদ হাউজ়ে দু’পক্ষ একটি সাংবাদিক বৈঠক করবেন ৷

ব্রিটিশ হাইকমিশন একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, এ বছরের শুরুতে ভারত-ব্রিটেনের মধ্যে এফটিএ চুক্তি হয়েছে ৷ ২০৩০-এর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা বাণিজ্য দ্বিগুণ করার লক্ষ্য রেখেছে দুই দেশ ৷

গুজরাট সফরের প্রথমদিনেই সবরমতী আশ্রমে যান বরিস জনসন। সেখানে চরকায় সুতো কাটাও শিখলেন তিনি। সবরমতি আশ্রমের ভিজিটার্স বুকে বিশেষ বার্তা লিখলেন বরিস জনসন। তিনি লেখেন, ‘এখানে এসে আমি মুগ্ধ। কী ভাবে একজন মানুষ এত সাদামাটা জীবনযাপন করতে পারেন এবং কী ভাবে তাঁর আদর্শ, সত্য ও অহিংসার পথ গোটা বিশ্বের মানসিকতা পরিবর্তনে সহায়ক হয়েছিল, তা এখানে না এলে বুঝতেই পারতাম না’।

Related Articles

Back to top button
Close