fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

নিয়ম-নীতি মেনে ভাসান ইছামতীর ঘাটে, কড়া নজরদারিতে বিএসএফ, বসিরহাট পুলিশ

গোবিন্দ রায়, কলকাতা: করোনা আবহে দুই দেশের প্রশাসনিক কড়াকড়িতে ভাসানের প্রস্তুতি উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট এবং টাকিতে। সোমবার সকাল থেকেই নিয়ম-নীতি মেনে ভাসান হচ্ছে ইছামতীর ঘাটে। বারোয়ারির পুজোর ক্ষেত্রে ইচ্ছামতীর ঘাটে গিয়ে নিরঞ্জন করে দেওয়া হচ্ছে প্রতিমা। টাকি এবং বসিরহাট পৌরসভা দুটো ক্ষেত্রেই এক নিয়ম মেনে সকাল থেকে শুরু হয়েছে ভাসান। বিএসএফ এবং বসিরহাট পুলিশ জেলার প্রশাসনিক তৎপরতা দেখা গিয়েছে চোখে পড়ার মতো।

 

 

বসিরহাট পৌরসভার ক্ষেত্রে বেশিরভাগ বারোয়ারি দুর্গাপুজোর ভাসান হচ্ছে ইছামতির ঘাটে গিয়ে। কিছু প্রতিমার ভাসানের ক্ষেত্রে করা হয়েছে নৌকার বন্দোবস্ত। অন্যান্য বছরের মতো নৌকা করেই ভাসান করবে তারা। সেক্ষেত্রে মানা হয়েছে করোনা স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা বিধি মেনে পুরসভার সিদ্ধান্ত। সামান্য কিছু সংখ্যক লোক নিয়ে ভাসান করবে তারা। রাখা হয়েছে পর্যাপ্ত মাস্ক এবং স্যানিটাইজার।
অন্য দিকে টাকি পুরসভার ক্ষেত্রে রামেশ্বরপুর ঘোষ বাড়ি, সৈয়দ পুর, মুখোপাধ্যায় বাড়ি, জেনারেল বাড়ির জমিদার বাড়ির সদস্যদের করোনা সচেতনতায় মধ্য দিয়ে ইছামতীর পাড়ে হচ্ছে প্রতিমা বিসর্জন। বারোয়ারি পুজোর ক্ষেত্রেও পুজো উদ্যোক্তারা প্রতিমা নিরঞ্জন বারোয়ারি করছেন সংঘের ঘাটে গিয়ে।

সব মিলিয়ে এবার ইছামতী নদীর বক্ষে যে প্রাচীন ঐতিহ্য দুই বাংলার প্রতিমা বিসর্জন অনেকটাই ফিকে। সকাল থেকে কিছু দর্শনার্থীরা আসলেও তাদের চোখে-মুখে বিষাদের সুর, হতাশ ইছামতী নদীতে প্রতিমা বিসর্জন গোটাকয়েক নৌকা ছাড়া কিছুই নেই। এপার বাংলা ও ওপার বাংলায় বিএসএফ বিবিজি র জিরো পয়েন্টে চলছে বরাবর টহল। আর নদীর ঘাটগুলোতে জেলা প্রশাসনের কড়া নিরাপত্তা।
সব মিলিয়ে কোনও রকম ভাবে ঝুকি নিতে চাইছে না প্রশাসন। বসিরহাট ও টাকি পৌরসভার তরফে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব মধ্য দিয়ে বিসর্জন হবে। কোন দর্শনার্থীদের নৌকা নদীতে নামবে না। শুধুমাত্র প্রতিমা বিসর্জনের নৌকাই নামার অনুমতি দেওয়া হয়েছে পুর প্রশাসনের তরফে।

Related Articles

Back to top button
Close