fbpx
কলকাতাহেডলাইন

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন বুদ্ধদেব, নিয়ম মানবেন বলে কথা দিয়েছেন চিকিত্‍সকদের..

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: হাসপাতাল থেকে ছুটি পেলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। মঙ্গলবার সকাল ১১:৩০ নাগাদ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া পান হাসপাতাল থেকে। চিকিত্‍সরা জানিয়েছেন, তিনি এখন অনেকটাই সুস্থ। চিকিত্‍সকরা জানিয়েছেন গতকাল তাঁর ঘুম ভাল হয়েছে, রাতে কোনও সমস্যাও হয়নি। রক্তচাপ ও পালস রেট স্বাভাবিক। ফিজিওথেরাপি চলছে। ওষুধপত্রও চলবে নিয়মিত। নজর দিতে হবে খাওয়াদাওয়ার দিকে। কোনও রকম অনিয়ম বিপজ্জনক হতে পারে তাঁর পক্ষে। বিপদের কথা চিন্তা করে বাড়িতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে পোর্টেবল ভেন্টিলেটর।

আপাতত তাঁকে হাসপাতালে রেখে চিকিত্‍সার কোনও প্রয়োজন নেই বলে মনে করছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। গত কয়েক দিন ধরে বাড়িতে যাওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করছিলেন তিনি। কিন্তু স্বাস্থ্যের কারণে তাড়াহুড়ো করা হয়নি। এখন তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি অনেকটাই স্থিতিশীল। কথা বলতে পারছেন। নিজে খেতে পারছেন। সে কারণে তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়ার সম্ভাবনা। মঙ্গলবার সকালে বেশ কিছু শারীরিক পরীক্ষা রয়েছে। তা খতিয়ে দেখার পর হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। বাড়িতে থাকলেও চিকিত্‍সকদের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে তাঁকে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষাও চলবে। সোমবার রাতে তিনি স্যুপ খেয়েছেন। হালকা তরল জাতীয় খাবর তাঁকে দেওয়া হচ্ছে। গতকাল তিনি সকাল-রাতে খিচুরি খেয়েছেন। বাড়িতেও কয়েকদিন ‘হালকা ডায়েট’ চলবে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।

আরও পড়ুন: শুভেন্দুকে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা, বুলেটপ্রুফ গাড়ি!

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতেই বাইপ্যাপ, নেবুলাইজার-সহ চিকিত্‍সার যাবতীয় পরিকাঠামো রয়েছে। চলবে ফিজিয়োথেরাপি। তাঁকে আইভি অ্যান্টিবায়োটিকের কোর্স দেওয়া হয়েছে। চিকিত্‍সকরা জানিয়েছেন, বুদ্ধবাবু যখন ৯ তারিখ দুপুরে হাসপাতালে এসেছিলেন, একেবারেই আচ্ছন্ন অবস্থায় ছিলেন তিনি। রক্তে অক্সিজেনের স্য়াচুরেশন খুবই কম ছিল। দিন সাতেকের মধ্যে দ্রুত সেরে উঠছেন তিনি, এতে চিকিত্‍সকদের গোটা টিম খুবই আনন্দিত বলে জানা গেছে। আপাতত বুদ্ধবাবুর শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিকই রয়েছে। রক্তপরীক্ষার রিপোর্ট সবই সন্তোষজনক। ক্যাথিটারের প্রয়োজন হচ্ছে না। নিজের হাতে খাবার খেতে পারছেন। রাইলস টিউব লাখছে না। নরম, সুসিদ্ধ খাবার নিজেই খেতে ও হজম করতে পারছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। কর্তৃপক্ষের কথায়, ‘উনি খুবই ক্রিটিক্যাল কনডিশনে ছিলেন। ওঁকে খুব ভালভাবে বুঝিয়েছি আমরা। উনিও সহযোগিতা করেছেন, তাই ওঁর চিকিত্‍সা যা দরকার তার ১০০ শতাংশ আমরা দিতে পেরেছি। আমরা একটা টিম হয়ে কাজ করেছি। উনি আমাদের কথা দিয়েছেন, চিকিত্‍সকদের সব নির্দেশ মেনে চলবেন, সব নিয়ম মানবেন।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close