fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

প্রণববাবুর ব্যবহৃত চটিজোড়ায় প্রণাম করে প্রতিদিন কাজ শুরু করেন রায়গঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী

শান্তনু চট্টোপাধ্যায়, রায়গঞ্জ: ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থেকে দু-চোখের পাতা এক করতে পারেননি রায়গঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিক্ষাপ্রেমী শ্যামল ব্রহ্ম। আসলে প্রনব বাবু ছিলেন তার পিতৃতুল্য। এতটাই সম্মানের জায়গায় ছিলেন যে প্রণব বাবুর ব্যবহার করা একজোড়া জুতো নিজের স্কুলের অফিসঘরে কাঁচের বাক্সে সযত্নে রেখে দিয়েছেন শ্যামলবাবু। প্রতিদিন স্কুলে ঢুকে সেই জুতো জোড়ায় প্রণাম করে স্কুলের কাজ শুরু করেন তিনি।

আবার স্কুল থেকে বেরোনোর সময় জুতো জোড়ায় প্রণাম করে বাড়ি ফেরেন। এই প্রথা একদিনের নয়। শ্যামলবাবু বলেন, আমার সাথে প্রণব বাবুর সম্পর্ক ১৯৮৭ সাল থেকে। দীর্ঘ কয়েকবছর আগে আমার স্কুলের উদ্বোধন করতে এসেছিলেন তিনি। তখনই তাঁর কাছ থেকে জুতো জোড়া চেয়েনি। তারপর থেকে রোজ তাতে প্রনাম করেই কাজ শুরু করি। এটাই আমার জীবনের অনুপ্রেরণা।

[আরও পড়ুন- জন্ম এবং মৃত্যুর শংসাপত্র নিতে আসা অভিভাবকদের জাতীয় সড়ক অবরোধ]

রায়গঞ্জে অবস্থিত শ্যামলবাবু দুর্গাপুর পাবলিক স্কুলের চিফ প্যাট্রন ছিলেন প্রণব বাবু। চিফ প্যাট্রন হিসাবে প্রণব বাবুর স্বাক্ষর আজও টাঙানো রয়েছে স্কুলের অফিস ঘরে। ১৯৮৭ সাল থেকেই প্রণব বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে ওঠে শ্যামল বাবুর। তিনি বলেন,”প্রতিবার তাঁর পরিবারিক দুর্গাপুজোয় যেতাম আমি। পুজোতে অনেক দ্বায়িত্ব ছিল আমার ওপর। যেকোনও কাজে তাঁকে ফোন করলে দ্রুত সেই কাজ করে দিতেন। আজ দ্বিতীয়বার পিতৃহারা হলাম। তবে প্রণববাবুর দেখানো পথেই সারাজীবন চলব।” প্রণব বাবুর স্মৃতিতে এবছর দুঃস্থ মানুষদের মধ্যে বস্ত্র বিলির ও উদ্যোগ নিয়েছেন শ্যামল বাবু।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close