fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ভাঙচুরে বিপুল ক্ষতি! পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে বিশ্বভারতী

কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের নির্ধারিত কোন ইমার্জেন্সি এই ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নির্দিষ্ট করবে এবং অভিযুক্তদের থেকে ক্ষতিপূরণ সংগ্রহ করবে।

নিজস্ব সংবাদদাতা,বোলপুর: সোমবারের ঘটনার পর বিশ্বভারতী একটি “প্রেস ব্রিফ” করে জানিয়ে দেয়, সোমবারের ঘটনাস্থলে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার জন্য যে ভাবে ভাঙচুর চালানো হয়েছে তাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্বভারতী কতৃপক্ষ। আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি শুধু নয়, বিশ্ববিদ্যালয় কর্মীদের নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টিও রাজ্যপালকে জানানো হয়েছে বলেও দাবি বিশ্বভারতী কতৃপক্ষের।পাশাপাশি ভাঙচুরে যুক্ত থাকা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও আবেদন করা হয়েছে।কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের নির্ধারিত কোন ইমার্জেন্সি এই ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নির্দিষ্ট করবে এবং অভিযুক্তদের থেকে ক্ষতিপূরণ সংগ্রহ করবে। তারসঙ্গে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তাও ক্ষতিয়ে দেখবে মানব সম্পদ মন্ত্রক। এমন দাবি জানানো হয়েছে বিশ্বভারতীর পক্ষ থেকে।  অন্যদিকে, সোমবারের ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেফতার ৮ জনকে মঙ্গলবার তোলা হয়ে বোলপুর মহকুমা আদালতে। অভিযুক্তদের দুদিনের পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

এদিকে  অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে উত্তপ্ত  বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। তৃণমূলের বিধায়ক নরেশ বাউরি, কাউন্সিলার ওমর শেখ, সুকান্ত হাজরা সহ যে ন-জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে তাদের বিরুদ্ধে চুরি, ভাঙচুর,অনধিকার প্রবেশ,জমায়েত সহ ডিজাস্টার্ড ম্যানেজমেন্ট আইনে বিভিন্ন ধারাতে পুলিশি মামলা করেছে বিশ্বভারতী কতৃপক্ষ। অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী, অধ্যাপক বিপ্লবলৌহ চৌধুরী, অধ্যাপক রামপ্রসাদ দাস, অধ্যাপক শান্তনু রায় এবং স্থানীয় বিজেপি নেতা এবং শিক্ষক উজ্বল মজুমদারের বিরুদ্ধে প্রাননাশের হুমকি এবং অতিমারির সময় জমায়েত সহ একাধিক বিষয়ে শান্তিনিকেতন থানায় লিখিত অভিযোগ করেন বোলপুর ব্যবসায়ী ঋক রায়।

এদিন শান্তিনিকেতন ইস্যুতে রাজ্যের শাসক দলকে কাঠগড়ায় তুলেছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ।ঘটনায় তিনি কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

Related Articles

Back to top button
Close