fbpx
অন্যান্যকলকাতাহেডলাইন

শিক্ষক দিবস পালন…….

নিজস্ব প্রতিনিধি: তাঁরা ছিল, তাঁরা কেউ নেই, মনে করে জীবন তবুও তার নিবিড় বিনয়ে নিজেকে আগুনে ক্ষয় করে জেগে থাকে স্থির-আরও স্থির আলোকের মতো হয়ে কয়েকদিন আগে শ্রদ্ধার সঙ্গে শিক্ষক দিবস পালন করল শ্রী শ্রী সীতারামদাস ওঙ্কারনাথ সাংস্কৃতিক শিক্ষা সংসদ। এই উপলক্ষে গত ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধায় একটি অনলাইন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সংসদ সভাপতি বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ড. ওমপ্রকাশ পাণ্ডের অনুপ্রেরণায় ও সহ-সভাপতি রত্না মিত্রের উদ্যোগে আয়োজিত সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, অধ্যাপিকা ও ছাত্র-ছাত্রীরা।

গুরুকূলের চিরাচরিত প্রথা মেনে বৈদিক মঙ্গলাচারণের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। মঙ্গলাচারণ করেন সংসদ অধ্যাপক জয় ব্যানার্জি। উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশন করেন বিশিষ্ট কণ্ঠসংগীত শিল্পী ময়ূক মুখোপাধ্যায়। সংসদ সম্পাদিকা, অধ্যাপিকা সুখদা গঙ্গোপাধ্যায় স্বাগত ভাষণ প্রদান করেন।

আরও পড়ুন:সোমালিয়ায় আত্মঘাতী জঙ্গি হামলা, নিহত ৬, আহত ২০

প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের অধ্যাপক ড. তপন শঙ্কর ভট্টাচার্য। শিক্ষক দিবসের ভাষণে তিনি ভারতবর্ষের সনাতন শিক্ষাপদ্ধতি ও গুরু-শিষ্য সম্পর্কের একটি সুন্দর মূল্যায়ণ করেন। শিক্ষক দিবসে নিজের অনুভূতির কথা ব্যক্ত করেন শহিদ মাতঙ্গিনী হাজরা কলেজের সংস্কৃত বিভাগের অধ্যাপক ড. দেবব্রত বেরা। বিশিষ্ট বাচিকশিল্পী মহুয়া চট্টোপাধ্যায়ের একটি অসাধারণ আবৃত্তি অনুষ্ঠানটিকে আলাদা মাত্রা এনে দেয়। সভাপতির ভাষণে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. শিবরঞ্জন চট্টোপাধ্যায় শিক্ষাক্ষেত্রে রাজনীতির কুফল সম্পর্কে আলোচনার পাশাপাশি এই দিনটির তাৎপর্য সুন্দরভাবে বুঝিয়ে বলেন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সংসদ অধ্যাপক পণ্ডিত রাজকুমার মিশ্র।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সংসদ অধ্যাপক পার্থপ্রতিম চক্রবর্তী। সংসদের রেজিস্ট্রার ড. সুরেশ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘এখনকার ছাত্রদের শিক্ষকের কাছে এটাই প্রার্থনা হওয়া উচিৎ, যে ‘জ্ঞান দাও, ভক্তি দাও, বিবেক দাও এবং বৈরাগ্য দাও। এভাবেই ছাত্ররা সমাজের বুকে এক একটি পবিত্র ফুল হয়ে ফুটবে’। তিনি আরও জানিয়েছেন যে, ‘ছাত্র ও শিক্ষক সমমনস্ক হলে তবেই শিক্ষা সম্পূর্ণ হয়।’ এরপর সমবেত জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।

Related Articles

Back to top button
Close