fbpx
কলকাতাহেডলাইন

করোনা আবহে লকডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কল্পতরু কেন্দ্র

শ্যামল কান্তি বিশ্বাস : করোনা আবহে লকডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলার কেন্দ্রীয় সরকারের একের পর এক জনহিতকর প্রকল্প ঘোষণায় স্বস্তিতে সমগ্ৰ দেশবাসী। সারা দেশ খুশি হলেও, কেন্দ্রীয় সরকারের এই ঘোষণায় খুশি হতে পারেননি এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আক্ষেপ, সরাসরি রাজ্যের হাতে বিশেষ প্যাকেজ নয় কেন? কেন্দ্রের যে কোন প্রকল্পের বিপরীত মেরুতে অবস্থানকারী রাজ্যের এ হেন মন্তব্যে স্বভাবতঃই রাজ্যের সচেতনশীল নাগরিকরা অবাক হননি।

 

ইতিপূর্বে জনধন প্রকল্প,উজ্বলা সমৃদ্ধি যোজনা,কৃষক কল্যাণ যোজনার কেন্দ্রীয় আর্থিক সুবিধা সরাসরি রাজ্যের নাগরিকদের হাতে পৌঁছে যাওয়ায়, অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে,রাজ্য সরকার তথা তৃনমূল কং নেতৃত্ব।ফলে পূনরায় এই ধরনের একাধিক প্রকল্পে রাজ্যের কৃষক, শ্রমিক-, প্রান্তিক মানুষেরা সরাসরি উপকৃত হলে, মমতা সরকার ব্রাত্যের খাতায় চলে যাবে,আর এভাবেই জনগন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায়, এক দেশ এক রেশন কার্ড সহ কৃষক কল্যাণ যোজনা, আয়ুষ্মান ভারত আরোগ্য যোজনার সুবিধা গ্ৰহণ থেকে রাজ্যবাসী কে বঞ্চিত করে চলেছে,এ রাজ্যের তৃণমূল সরকার, এ অভিযোগ রাজ্য বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি দেবজিৎ সরকারের।

 

 

বর্তমান প্রেক্ষাপটে রাজ্যের সর্ব স্তরের নাগরিক বৃন্দের উদ্দেশ্যে বিজেপি রাজ্য যুব মোর্চার সভাপতি দেবজিৎ সরকারের আহ্বান, বিভ্রান্তকারী জনবিরোধী তৃনমূল ও মমতা সরকার সহ রাজ্যের বিলুপ্তপ্রায় অস্তিত্ব সংকটে জর্জরিত কংগ্রেস ও জনগন থেকে বিচ্ছিন্ন সিপিএম এর হঠকারী প্ররোচনায় পা না দিয়ে মোদিজীর  ‘সব কা সাথ, সব কা বিকাশ’ এই কর্মসূচিতে অংশ নিন, এবং নিজে সহ নিজের পরিবার ও দেশ কে সমৃদ্ধ করুন।ভিক্ষার প্রত্যাশা নয়, পরিকাঠামোগত উন্নয়নের মধ্যদিয়ে আত্ম স্বনির্ভর হ উ ন, দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে নিজেকে সামিল করুণ।

Related Articles

Back to top button
Close