fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

বিক্ষোভের মাঝেই আজ ফের কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠক কৃষকদের

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: কৃষক আন্দোলনের আঁচ ক্রমশই বাড়ছে।নয়া কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে কৃষকদের অনড় মনোভাব। আজ ফের কৃষকদের সঙ্গে আলোচনার আগে জরুরু বৈঠকে মোদি। প্রধানমন্ত্রীর নিজের বাড়িতেই বৈঠক। বৈঠকে হাজির অমিত শাহ, রাজনাথ সিং, পীযূষ গোয়েল, নরেন্দ্র এস তোমর। কৃষকদের দাবি মেনে আইনে কী কী সংশোধন আনা যায়, তাই নিয়েই জরুরি আলোচনা।

গত কয়েক দিন ধরে কৃষক আন্দোলনে জেরবার দিল্লি। দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে কয়েক লাখ কৃষক জড়ো হয়েছেন দিল্লির বাইরে। সেখানেই অবস্থানে বসেছেন তাঁরা। তার জেরে কার্যত অবরুদ্ধ রাজধানী। কৃষকদের দাবি কিছুদিন আগে নিয়ে আসা তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করে নিতে হবে। এই দাবি নিয়ে কৃষকদের সংগঠনের সঙ্গে আগেও দু’বার বৈঠক করেছেন বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। আজ, শনিবার ফের তৃতীয়বারের জন্য বৈঠকে বসতে চলেছেন তাঁরা। আজ দুপুর ২টোয় দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে হবে এই বৈঠক। কৃষকদের তরফে সরকারের কাছে একটি ৩৯ পয়েন্টের আবেদন পত্র পেশ করা হয়েছে। সেখানেই তাঁদের যাবতীয় দাবি লেখা রয়েছে। তাঁর মধ্যে প্রধান হল কৃষি আইন প্রত্যাহার। এর আগেও বারবার প্রধানমন্ত্রী  থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর বোঝানোর চেষ্টা করেছেন যে এই আইন কৃষকদের ভালর জন্যই আনা হয়েছে। কিন্তু তাতে চিড়ে ভেজেনি।এসবের সমাধান খুঁজতে ফের আজ পঞ্চম দফায় তাঁদের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা।

নিজেদের দাবিতে অনড় তাঁরা। এর মধ্যেই আগামী মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর সারা ভারত বন্ধের ডাক দিয়েছেন কৃষকরা। সেদিন দিল্লিগামী সব রাস্তা অবরোধ করারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা। এমনকি দেশের সব টোল গেটে গিয়ে সেদিন সরকারকে টোল নিতে তাঁরা দেবেন না, এমনটাই হুঁশিয়ারি দিয়েছে কৃষক সংগঠনগুলি। এক কৃষক সংগঠনের নেতা হরিন্দর সিং লাখোয়াল সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘আগামী মঙ্গলবার আমরা ভারত বন্ধের ডাক দিয়েছি। দিল্লিগামী সব রাস্তা সেদিন বন্ধ করে দেওয়া হবে। এছাড়া দেশের সব টোল গেট অবরুদ্ধ করব আমরা। সেদিন সরকারকে কোথাও টোল নিতে আমরা দেব না। এই আন্দোলনের সঙ্গে আরও অনেক মানুষ যোগ দেবেন।’

আরও পড়ুন: কলেজের সমস্যায় ফিরহাদের নামে নালিশ, রাজ্যপালের দ্বারস্থ শোভন–বৈশাখী

চলতি সপ্তাহেই কয়েকদফা বৈঠক, আলোচনার পরও বেরয়নি সমাধানসূত্র। কৃষকদের দাবি একটাই, প্রত্যাহার করে নিতে হবে নতুন তিনটি কৃষি আইন। কারণ, তা সম্পূর্ণ কৃষক বিরোধী বলে মনে করছেন তাঁরা। বিশেষত ন্যূনতম সহায়ক মূল্য তুলে নেওয়ার বিষয়টি একেবারেই না-পসন্দ তাঁদের। এই চাপে পড়ে আগের বৈঠকে অবশ্য MSP নিয়ে সরকার আশ্বাস দিয়েছিল। কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমরের আশ্বাস ছিল, এমএসপি-তে হাত দেওয়া হবে না। আদালতে যাওয়ার দাবিও বিবেচনার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। কৃষিমন্ত্রী জানিয়ে দেন, এমএসপি নতুন কৃষি আইনের অংশ নয়। তাই বিষয়টিতে কোনও পরিবর্তন করা হবে না। বরং সরকার এমএসপিগুলিকে আরও শক্তিশালী করার জন‌্য কাজ করবে। তাতেও আশ্বস্ত হননি কৃষকরা। আইন প্রত্যাহারের দাবিতেই অনড় তাঁরা।

 

Related Articles

Back to top button
Close