fbpx
দেশহেডলাইন

নতুন কৃষি আইন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নোটিস কেন্দ্রকে

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: সংসদে পাস হওয়া কৃষিবিলের বিরোধিতা করে যে তিনটি পিটিশন জমা পড়েছে, তার প্রেক্ষিতে সোমবার সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রকে নোটিস দিয়েছে। প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদের নেতৃত্বে গঠিত একটি বেঞ্চ কেন্দ্রীয় সরকারকে জবাব দিতে বলেছে চার সপ্তাহের মধ্যে। প্রধান বিচারপতি বাদে বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি এ এস বোপান্না ও বিচারপতি ভি রামসুব্রহ্মণ্যম। যাঁরা সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে আছেন রাষ্ট্রীয় জনতা দলের রাজ্যসভা সদস্য মনোজ ঝা, কেরল থেকে নির্বাচিত কংগ্রেস সদস্য টি এন প্রতাপন এবং ডিএমকে-র রাজ্যসভা সদস্য তিরুচি শিবা। সংসদের বাদল অধিবেশনে কৃষি বিল নিয়ে দুই কক্ষেই তীব্র বিরোধিতার মধ্যে পড়তে হয় কেন্দ্রীয় সরকারকে।

মনোহর লাল শর্মার করা আবেদন নিয়েই প্রথমে আলোচনা হয়। মনোহর লেখেন, এই বিল লাগু হলে কৃষকেরা তাঁদের জমিজমা, শস্য ও স্বাধীনতা সবই কর্পোরেট হাউসগুলির খপ্পরে তুলে দিতে বাধ্য থাকবে। এই বিল দেশের কৃষক সম্প্রদায়কে ধনেপ্রাণে মেরে ফেলবে। যদিও কোর্ট তাঁর আবেদনের মধ্যে কোনও ‘কজ অফ অ্যাকশন’ খুঁজে পায়নি। ফলে তারা মনোহরকে তাঁর আবেদন প্রত্যাহার করে নিয়ে নতুন করে আবেদন করার কথা বলে। কোর্ট এ-ও জানায় যে, আবেদন মোটেই খারিজ করছে না। তাঁকে সময় দিচ্ছে।

আরও পড়ুন: ‘হাত’ ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিলেন খুশবু সুন্দর

বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটাভুটির রাস্তায় না গিয়ে সরকার গায়ের জোরে বিল পাশ করিয়েছে। বিরোধীদের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতির কাছে সই না করার আবেদন জানানো হয়। তাঁদের দাবি ছিল, ওই বিল পুনর্বিবেচনার জন্য ফের.সংসদে আনা হোক। কেন্দ্রের বক্তব্য এই বিল কৃষকদের রোজগার দ্বিগুণ করবে। তা ছাড়া একবিংশ শতকে কৃষি ব্যবস্থায় অনেক বদল এসেছে। তার সঙ্গে সাযুজ্য রেখেই এই বিল প্রস্তুত করা হয়েছিল। উত্‍পাদনেও ইতিবাচক বদল হবে বলে মত বিজেপির। পাল্টা বিরোধীদের বক্তব্য, কৃষক মারার জন্য এই বিল আনা হয়েছে। বিজেপির আসল লক্ষ্য, দেশের কৃষি ক্ষেত্রকে কর্পোরেট পুঁজির কাছে বেচে দেওয়া। তাঁদের আরও বক্তব্য, কৃষকদের মৌলিক মানোন্নয়ন নয়, গেরুয়া শিবিরের মূল লক্ষ্য কয়েক জন পুঁজিপতির মুনাফা ও সম্পদ আরও বাড়িয়ে দেওয়া। কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলির উদ্দেশে আর্জি জানিয়ে বলেছেন, কেন্দ্রের কৃষি আইন উপেক্ষা করুন। প্রয়োজনে রাজ্যে আইন প্রণয়ন করুন। কংগ্রেস নেতা কেসি বেণুগোপাল আবার টুইট করে বলেছেন, কী ভাবে মোদি সরকারের আইনকে এড়িয়ে যাওয়া যায়। তাঁর বক্তব্য, সংবিধানের ২৫৪(২) ধারাকে ব্যবহার করে তা করা সম্ভব।

 

 

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close