fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ভিন রাজ্যে আটকে চাকদার বহু যুবক, অর্থ পাঠিয়ে পাশে দাঁড়ালেন যুব তৃণমূল ব্লক সভাপতি

অভিষেক আচার্য, কল্যাণী: কাজের সূত্রে ভিন রাজ্যে আটকে পড়েছেন নদীয়ার চাকদা ব্লকের বহু মানুষ। দিন যাওয়ার সাথে সাথে ফুরিয়েছে অর্থ। এবার সেই সব শ্রমিকদের পাশে দাঁড়ালেন চাকদার যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সাধন বিশ্বাস। কাজের সূত্রে কিংবা ব্যবসা করতে ভিন রাজ্যে পাড়ি দিয়েছিলেন চাকদা অঞ্চলের বহু যুবক। কাজ ও ব্যবসা করতে গিয়ে তাঁদের আর বাড়ি ফেরা হয়ে ওঠেনি। তাঁরা ভাবতেও পারেনি যে তাঁদের জীবনে এইভাবে অন্ধকার নেমে আসবে। বাড়ি ফেরার পথে কাঁটা হয় দাঁড়ালো করোনা ভাইরাস। ফলে ভিন রাজ্যেই আটকে আটকে থাকতে হলো তাঁদের। এই সংকটের সময় হাত তুলে নিয়েছেন অনেক রথী-মহারথীরাও। উপায় না দেখে ভিন রাজ্যে আটকে থাকা যুবকরা ফোনের মাধ্যমে শরণাপন্ন হন সাধন বিশ্বাসের। ফোনে সব শুনে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তড়িঘড়ি পাঠিয়ে দেন অর্থ।

এ বিষয়ে সাধনবাবু বলেন, ফোনের মাধ্যমে ভিন রাজ্যে আটকে থাকা যুবকরা তাঁদের পরিস্থিতির কথা আমাকে জানায় তারপর ওই যুবকদের টাকা পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। যাতে কোনো অসুবিধা না হয় ওদের। চাকদা ব্লকের যুবকরা আটকে রয়েছেন উড়িষ্যা, মুম্বাই,চেন্নাই সহ বিভিন্ন রাজ্যে। ইতিমধ্যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা শুরু করেছেন। কিন্তু কতদিন পরিবার পরিজন ছেড়ে ভিন রাজ্যে থাকতে হবে তাঁদের তা কারোর জানা নেই। যত দিন যাচ্ছে তত ফুরিয়ে আসছে পকেটের পুঁজি। খাওয়া নেই, বাড়ি আসার যানবাহন নেই। ফলে এক অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে দিন গুজরান করতে হচ্ছে শ্রমিক থেকে ব্যবসায়ীদের।

আরও পড়ুন: শিল্পীদের দুরবস্থা নিয়ে শর্টফিল্ম ‘দুঃস্থ শিল্পী’ ইউটিউবে রিলিজ হল লকডাউনেই

উড়িষ্যা থেকে ফোনে ভিডিও কলের সাহায্যে বেশ কিছু শ্রমিক জানিয়েছেন, লক ডাউনের আগে তাঁরা ব্যবসার জন্য উড়িষ্যা গিয়েছিলেন। কিন্তু লকডাউন হঠাৎ ঘোষণা করায় বিপদে পড়েছেন তাঁরা। লকডাউন যত দীর্ঘায়িত হয়েছে তত কপালের ভাঁজ চওড়া হয়েছে তাঁদের। একেই পরিবার-পরিজন ছেড়ে বাইরে রয়েছেন তার ওপর দিন যত এগিয়েছে টান পড়েছে পকেটে। ত্রাণ মিললেও তা দিয়ে ১০-১৫ দিনের বেশি চলছে না। সাধনবাবু টাকা পাঠানোর পর আপাতত কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছেন তাঁরা।

শুধু তাই নয় এ বিষয়ে সাধনবাবু বলেন, যে সব পরিবারের ছেলেরা ভিন রাজ্যে গিয়েছেন তাঁদের পরিবারের হাতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে ত্রাণ। আবার কারোর হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে অর্থ। শ্রমিক, ব্যবসায়ীরা ভিন রাজ্যে আটকে পড়েছেন ঠিকই। সাহায্য পাচ্ছেন সেটাও সঠিক। কিন্তু তাঁদের প্রশ্ন একটাই বাড়ি বাড়ি ফিরবেন কবে? কারণ তাঁদের জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁদের মা,বাবা, স্ত্রী, সন্তান। সত্যি, কবে ফিরবেন তাঁরা বাড়ি? সেই উত্তর জানা নেই কারোর।

Related Articles

Back to top button
Close