fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

এক চালার প্যান্ডেল ও জৌলুসহীন জগদ্ধাত্রী পুজোয় মাতল আলোর শহর চন্দননগর

তাপস মণ্ডল, হুগলি: এক চালার প্যান্ডেল ও জৌলুসহীন জগদ্ধাত্রী পুজোয় মাতল আলোর শহর চন্দননগর। করোনা মহামারীতে বিশ্বব্যাপী আর্থিক মন্দা চলছে। সেই আর্থিক মন্দার আঁচ এসে পড়েছে চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজোয়। অন্যান্য বছর বেশিরভাগ জগদ্ধাত্রী বারোয়ারী পুজো কমিটি গুলির লক্ষ লক্ষ টাকা বাজেট থাকলেও চলতি বছর চন্দননগর অনেকটাই বিবর্ণ। এবছর বেশির ভাগ পুজো কমিটিগুলি তাদের পুজোর বাজেট কাটছাট করে এক চালার প্যান্ডেল গড়ে পুজোয় মেতেছে। তবে হাতে গোনা কয়েকটি জগদ্ধাত্রী পুজোয় এবার থিম হয়েছে।

চন্দননগর কানাইলাল পল্লী জগদ্ধাত্রী পুজো সমিতির এবছরের থিম “বিবর্ণ। এই থিমের মাধ্যেমে উদ্যোক্তারা বোঝাতে চেয়েছেন, কোভিটের জন্যে পৃথিবী বেরঙিন হয়ে গিয়েছে। মানুষের মনের মধ্যে থেকে রঙ হাড়িয়েয়ে গিয়েছে। জগদ্ধাত্রী মায়ের আগমনে মানুষের মনে আবার সেই রঙ ফিরে এসেছে। জগদ্ধাত্রী পুজো সমিতির  সম্পাদক বিশ্বজিৎ পোদ্দার বলেন, এবছর আমাদের পুজো ৪৭ বছরে পদার্পন করল। বাজেট সাড়ে তিন লক্ষ টাকা।

চন্দননগর খলিসানি জগদ্ধাত্রী পুজো সমিতির এবছরের থিম কোভিট সচেতনতা। এই পুজো মন্ডপে প্রবেশ করলেই দর্শনার্থীরা দেখতে পাবেন বিহার রাজ্য থেকে বহু পরিযায়ী শ্রমিকরা বাংলায় আসছেন। এরপর দেখা মিলবে রাজ্যজুড়ে লকডাউন চলছে। পুজো মন্ডপে আস্ত একটা ট্রেন দাঁড়িয়ে রয়েছে। পাশে রিক্সা চালকরা ভাড়া না পেয়ে মাথায় হাত দিয়ে বসে রয়েছেন। প্যান্ডেলে রয়েছেন কোভিট যোদ্ধারা। সেলুন খোলা রয়েছে। অথচ মানুষ নেই। একাধিক দোকানের সাটার নামানো। পুজোর কর্মকর্তা সুবীর চক্রবর্তী বলেন, আমাদের পুজো এবছর ৭২ বছরে পড়ল। বাজেট তিন লক্ষ টাকা। মানকুন্ডু নতুনপাড়া জগদ্ধাত্রী পুজোর উদ্যোক্তারা এবছর সামাজিক সুরক্ষার ওপর জোর দিয়েছেন। তারা সরকারী বিধি নিষেধ মেনে পুজো করছেন বলে উদ্যোক্তারা জানিয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close