fbpx
কলকাতাহেডলাইন

বিদ্যাসাগরের জন্মদিবসেও রাজনীতি! টুইটে শ্রদ্ধা জানিয়েও মূর্তি ভাঙার ঘটনা মনে করিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বছরখানেক আগে শহর কলকাতায় অমিত শাহের শোভাযাত্রার সময়ে বিদ্যাসাগর কলেজে হামলা এবং মূর্তি ভাঙার ঘটনাতে এমনিতেই তোলপাড় হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। শনিবার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতবর্ষ জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে টুইট করে শ্রদ্ধা জানালেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে গত বছরে বিদ্যাসাগর কলেজের ভিতরে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙে দেওয়ার ঘটনার কথা মনে করিয়ে দিলেন তিনি।
আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সময়ে যাতে সাধারণ মানুষ সেই ঘটনা মনে রাখেন, তা উল্লেখ করে এ দিন ট্যুইট করলেন তিনি।

টুইটে হামলাকারীদের ‘‌কয়েকজন বহিরাগত’‌ হিসেবে উল্লেখ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, ‘’বাংলা ভাষার পথিকৃৎ বর্ণপরিচয়ের স্রষ্টা বিদ্যাসাগরের দ্বিশতবর্ষ জন্মদিবসে শ্রদ্ধার্ঘ। আজীবন বিধবা বিবাহ প্রচলন ও বাল্য বিবাহ রোধের বিরুদ্ধে লড়েছেন দয়ার সাগর। বিদ্যাসাগর বাংলার গর্ব। বর্তমান সময়েও তিনি আমাদের এগিয়ে চলার অনুপ্রেরণা।

২০১৯ সালে কয়েকজন বহিরাগত বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙে। এতে হামলাকারীদের বাংলার ঐতিহ্য ও গরিমা নষ্ট করার চেষ্টাই প্রকাশ পেয়েছে। বিদ্যাসাগরের ভাবনাচিন্তা ও মতাদর্শ আজীবন আমাদের মূল্যবোধের সঙ্গে জড়িত থাকবে।’‌

প্রসঙ্গত, ২০১৯–এর মে মাসে লোকসভা নির্বাচনের সময় বিজেপি–র তৎকালীন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের এক রোড শো চলাকালীন কলকাতায় ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে। বিদ্যাসাগর কলেজে ঢুকে কয়েকজন দুষ্কৃতী বিদ্যাসাগরের আবক্ষ মূর্তি ভেঙে দেয়। এ ঘটনায় তৃণমূল ও গেরুয়া শিবির একে–অপরকে দোষারোপ করে। এদিনের টুইটে ‘‌বহিরাগত’‌ হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী বিজেপি–রই কথা বলেছে বলে রাজনৈতিক মহলের মত। কারণ এর আগে বিভিন্ন সভা–সমাবেশে গেরুয়া শিবিরকে রাজ্যে ‘বহিরাগত’‌ হিসেবেই উল্লেখ করেছেন তিনি।

২০১৯ সালে সেই সময় মূর্তি ভাঙার ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ওই কলেজের একই জায়গায় বিদ্যাসাগরের একটি বিরাট মূর্তি স্থাপন করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু ওই ঘটনার এক মাসের মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী কলেজের ঠিক সেই জায়গায় বিদ্যাসাগরের এক নতুন আবক্ষ মূর্তি উন্মোচন করেন। এ দিন ‘সর্বকালের অন্যতম সেরা সংস্কারক’ হিসেবে উল্লেখ করে বিদ্যাসাগরের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ও।

Related Articles

Back to top button
Close