fbpx
কলকাতাহেডলাইন

কালী পুজোর দু-দিন ২ ঘণ্টা করে বাজি পোড়ানোর প্রস্তাব আতসবাজি উন্নয়ন সমিতির, নবান্নে ডেকে পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী

অভীক বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা: বাজির ধোঁয়ায় করোনা রোগীদের ক্ষতি হতে পারে, এমন দাবি করে মুখ্যমন্ত্রীকে মঙ্গলবার চিঠি পাঠিয়েছিলেন ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরাম-সহ ১৭ টি সংগঠন।  তারপর রাতেই করোনা রোগীদের স্বার্থে আতসবাজি না ফাটানোর পক্ষে রাজ্যবাসীকে আবেদন করেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু ৩১ লক্ষ বাজি শিল্পীদের স্বার্থে কার্যত অনুরোধের সুর সারা বাংলা আতসবাজি উন্নয়ন সমিতির চেয়ারম্যান বাবলা রায়ের। বুধবার বাজি শিল্পীদের স্বার্থে কালীপূজা ও দিওয়ালিতে ২ দিন ২ ঘন্টা করে বাজি পোড়ানোর জন্য অনুমতি চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি পাঠালেন তিনি। চিঠি পেয়ে বৃহস্পতিবার তাদের নবান্নে তলব করলেন মুখ্যমন্ত্রী।
জানা গিয়েছে, নবান্নে এই বৈঠকে রাজ্যের পক্ষে থাকবেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় ও স্বরাষ্ট্র সচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদী। বাজি সংগঠনের নেতা বাবলা রায় বুধবার বেলা ১২ টায় মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দেন। সেখানে ৩১ লক্ষ মানুষের জীবন ও জীবিকা সংশয়ের বিষয়টি জানানো হয়। বেলা সাড়ে তিনটেয় নবান্ন থেকে বাবলা রায়ের কাছে ফোন পৌঁছায়। মুখ্যসচিব আলাপন ব্যানার্জি কিছুক্ষণ কথা বলার পর ফোনে কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি গোটা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার জন্য বৃহস্পতিবার বাবলা রায়কে নবান্নে ডেকে পাঠানো হয়েছে।
বাজিশিল্পীদের পক্ষে বাবলা রায় যে যে আর্জি রাজ্যের কাছে জানাতে চলেছেন তা হল, ১৪ ও ১৫ নভেম্বর রাত ৮ টা থেকে ১০ টা পর্যন্ত অর্থাৎ মোট ৪ ঘণ্টা রাজ্যে বাজি পোড়ানোর অনুমতি দিক রাজ্য। ৩১ লক্ষ বাজি শিল্পী ও বিক্রেতার মধ্যে যাঁরা সরকারি লাইসেন্সপ্রাপ্ত, অর্থাৎ দমকল, পরিবেশ সহ অন্যান্য ৬ টি সরকারি দফতর দ্বারা স্বীকৃত, সেই ৫৩ হাজার ব্যবসায়ীকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক। এ বছর তারাও চিনা বাজি বা নিষিদ্ধ বাজি এড়িয়ে চলবেন। এবার বাজি বাজারের বিপক্ষে সমস্ত বাজি বাজার সংগঠনের প্রতিনিধিরাও। তাই বৃহস্পতিবার নবান্নে আতসবাজি উন্নয়ন সমিতির সঙ্গে বৈঠকের পরই ঠিক হবে এ রাজ্যে বাজি ব্যবসায়ীদের ভবিষ্যৎ।

Related Articles

Back to top button
Close