fbpx
আন্তর্জাতিকহেডলাইন

ফের সংঘাতের সুর চড়িয়ে মানস সরোবর ও কৈলাস পর্বতের কাছে সেনা মোতায়েন চিনের

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: চিনের সঙ্গে ভারতের সংঘাত অব‍্যাহত। সীমান্ত দ্বন্দ্ব কমার বদলে আরও বেড়ে চলেছে। এবার সংঘাতের সুর আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে হিন্দুদের অন্যতম তীর্থক্ষেত্র মানস সরোবর ও কৈলাস পর্বতের কাছে সেনা মোতায়েন শুরু করল চিন। শুধু তাই নয়, সেনার মোতায়েন করার পাশাপাশি সেখানে ক্ষেপণাস্ত্রও বসিয়েছে লাল ফৌজ। উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়েছে সেই দৃশ্য। তাতেই দেখা মিলেছে, গত এপ্রিল থেকে ওই এলাকায় যে নির্মাণকাজ শুরু করেছিল চিন, তা শেষ হয়েছে। প্রতিবছর বহু ভারতবাসী কৈলাস ও মানস সরোবরে তীর্থ করতে যান। সেই এলাকাই যেন এখন যুদ্ধক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। হিন্দুদের ধর্মীয় স্থানকেও ছাড় দেয়নি চিনা সেনা।

গত বছর ৩৭০ ধারা বিলোপের পর কাশ্মীর প্রসঙ্গে প্রায় একই রকম একটি বিবৃতি দিয়েছিল চিন। এর আগে পাকিস্তান আমাদের ‘সোনা ভাই’ ও ‘ভালো সঙ্গী’ – এই ভাষাতেই ইসলামাবাদের সঙ্গে বেজিংয়ের সম্পর্ককে বর্ণনা করেছেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তাঁর কথায়, ‘দুই দেশের অর্থনৈতিক করিডর এই সম্পর্ককে আরও কাছাকাছি এনেছে।’

জিনপিংয়ের এই রেকর্ডেড বার্তা গত শুক্রবার প্রকাশিত হয়। সেখানে তিনি পাক প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভিকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ‘চিন-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডর (সিপেক) একটি ল্যান্ডমার্ক প্রজেক্ট, যা বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই)-এর অন্তর্গত। এর মাধ্যমে দু’দেশের কৌশলগত অবস্থান ও যৌথ কাজের আবহ ভবিষ্যতে মজবুত হবে।’

এদিকে, সম্প্রতি পাকিস্তান-চিন দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে কাশ্মীর প্রসঙ্গ তুলেছে ইসলামাবাদ। তার পরিপ্রেক্ষিতে চিন পাকিস্তানকে জানিয়েছে, কাশ্মীরে কোনও একতরফা পদক্ষেপকে তারা সমর্থন করে না। পাক বিদেশমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি কাশ্মীর প্রসঙ্গ টেনে আনেন দু’দেশের আলোচনায়। যৌথ বিবৃতিতে চিন বিবৃতি দেয়, ‘পাকিস্তান জম্মু-কাশ্মীরের বর্তমান অবস্থার কথা জানিয়েছে। চিন মনে করছে এটা ভারত-পাকিস্তানের ইতিহাসের একটি অমীমাংসিত বিষয়। তা রাষ্ট্রপুঞ্জের সনদ, নিরাপত্তা পরিষদের সংশ্লিষ্ট প্রস্তাব ও দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে সমাধান হওয়া প্রয়োজন। চিন কোনও একতরফা পদক্ষেপকে সমর্থন করে না।’

Related Articles

Back to top button
Close