fbpx
আন্তর্জাতিকগুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

ভারত সহ একাধিক দেশের নাগরিকদের ভ্রমণের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি চিনের

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: এবার ভারতকে ধাক্কা দিল বেজিং। তবে শুধু ভারত নয়, ভারত সহ একাধিক দেশের নাগরিকদের ভ্রমণের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করল চিন।  সূত্রের দাবি, শীত পড়তেই দেশে বাড়তে শুরু করেছে করোনা সংক্রমণ। আর এই আবহেই দেশে দ্বিতীয় ওয়েভ আটকাতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি প্রশাসনের। প্রসঙ্গত, গত বছরের শেষের দিকে চিনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে কোভিড-১৯। তবে বেজিং  কঠোর নিয়ন্ত্রণ বিধি বাস্তবায়ন করে দ্রুত  পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। চিনে বিদেশী নাগরিকদের প্রবেশের ব্যাপারেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

এদিকে এপ্রিলের পর থেকেই পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে দেশটিতে। এই আবহে একসময়ে নিজেদের সীমান্ত বন্ধ রাখার কঠোরতা শিথিল করে জিনপিংয়ের দেশ। বেজিং প্রশাসন  বিদেশে আটকা পড়া লোকজনকে দূতাবাসগুলোর বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে চিনে ফেরার অনুমতি দিতে থাকে। তবে এ জন্য অবশ্যই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কোভিড-১৯ পরীক্ষায় নেগেটিভ আসতে হয়েছে। পাশাপাশি তাকে চিনে প্রবেশের পর দুই সপ্তাহের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হয়েছে।

আরও পড়ুন: পূর্ব লাদাখে নিয়ন্ত্রণরেখায় পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ, বড়সড় সংঘর্ষ হতে পারে: বিপিন রাওয়াত

ইউরোপজুড়ে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ার পর আবার সতর্ক বেজিং। ইতিমধ্যে  যুক্তরাজ্যে চিনের দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সেখান থেকে সাময়িক সময়ের জন্য চিনের নাগরিক নন এমন ব্যক্তিদের চিনে প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়েছে। একই ধরনের ঘোষণা করেছে ফিলিপিন্স ও বেলিজিয়ামের চিনা দূতাবাসও।

 

ফলে এবার ভারতের ক্ষেত্রেও একই রকম কঠোরতার পথে এগোল চিনা সরকার। চিন জানিয়েছে, করোনা কালে ভারতে অবস্থিত চিনের দূতাবাস ভারতীয়দের ভিসার ‘হেল্থ ডিক্লারেশন ফর্ম’ এ শিলমোহর দেবে না। ফলে বৈধ ভিসা থাকলেও বা বসবাসের পারমিট থাকলেও এখন ভারতীয়রা চিনে যাত্রা করতে পারবে না। আর এর নেপথ্যে করোনার প্রকোপের কারণ দেখানো হচ্ছে। তবে চিনের দূতাবাস জানিয়েছে, যদি কারোর আপৎকালীন কোনও প্রয়োজন থাকে সেদেশ, তাহলে বিশেষ আর্জি জানিয়ে চিনে যাওয়া যেতে পারে। তবে সেক্ষেত্রও কিছু নিয়ম ও শর্ত থাকবে। এদিকে বেজিংয়ের এমন ঘোষণার জেরে ভারতের অন্তত ১৫০০ জন বিপাকে পড়লেন। অন্যদিকে আমেরিকা , ফ্রান্স ও জার্মানির বাসিন্দাদের ক্ষেত্রে একটি স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট চেয়েছে বেজিং। চিনে বিদেশ থেকে করোনার প্রকোপ বাড়ছে বলে দাবি করে বেজিং এই নয়া পদক্ষেপ নিয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close