fbpx
আন্তর্জাতিকহেডলাইন

শান্তির বার্তা দিয়েও যুদ্ধের মহড়া সাজাচ্ছে চিন

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: ফের নতুন করে মাথা চাড়া দিয়েছে ভারত-চিন সীমান্ত সংঘাত। এরমধ্যেই গত বুধবার মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারত ও চিনের মধ্যে মধ্যস্থতা করার প্রস্তাব জানিয়ে টুইট করেছিলেন। তিনি লেখেন, দুই দেশকেই আমেরিকা জানিয়েছে যে, সীমান্ত নিয়ে তাদের মধ্যে যে বিরোধ চলছে সে বিষয়ে তারা মধ্যস্থতা করতে প্রস্তুত, ইচ্ছুক এবং সক্ষম। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতি দিয়ে ভারতের তরফে জানানো হয়েছিল যে সীমান্ত সমস্যা শান্তিপূর্ণভাবে মেটানোর জন্য দুই দেশের মধ্য়ে কথা হয়েছে। এনিয়ে সেনা ও কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা চলছে। তবে বিদেশমন্ত্রকের এই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই লাদাখ সীমান্তের চিনের দিকে ১৫টি ট্যাঙ্ক ও সৈন্যের খোঁজ মেলে স্যাটেলাইট ইমেজে। পূর্ব লাদাখসহ গালওয়ান নালা এলাকায় এবং প্যাঙগং লেকের উত্তর দিকে অন্তত পাঁচটি এলাকায় প্রায় আরও চিনা সেনা মোতায়েনের খবর আসতেই পরিস্থিতি বদলে যায়। যানা গিয়েছে আকসাই চিন অঞ্চলেও চিন সেনা বাড়িয়েছে।

দিন কয়েক আগেই লাদাখ সীমান্তে ভারত ও চিন সেনার মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। চিন নিজেদের এলএসি-র (লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল) পাশে নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য রাস্তার কাজ শুরু করে। এরপর ভারতও বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশনকে দিয়ে এলএসি-র পাশে নেটওয়ার্ক তৈরির কাজ শুরু করলে তাতে বাধা দেয় চিনের সেনা। রুখে দাঁড়ায় ভারতীয় সেনাও। তারপর থেকে লাদাখের তিন জায়গায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয় দুই দেশের সেনার মধ্যে।

আরও পড়ুন: শতাব্দীর নিদারুণতম বিপর্যয়, আমফান নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক স্বরাষ্ট্র সচিবের

সূত্রের খবর, লাদাখের কাছে এলএসি-তে জওয়ানদের সংখ্যা বাড়াচ্ছে চিন। গালওয়ান নালা এলাকায় শেষ দু’সপ্তাহে তারা ১০০টি টেন্ট তৈরি করেছে। ইতিমধ্য়েই এনিয়ে তিন সেনার প্রধান জেনেরাল বিপিন রাওয়াত ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র তাদের অবস্থান স্পষ্ট করতে গিয়ে দুই দেশের প্রধানের মধ্যে হওয়া কথাবার্তা ও চুক্তির প্রসঙ্গ তুলেছিলেন। সেকথাই উঠে আসে অনুরাগ শ্রীবাস্তবের বক্তব্যে। তিনি বলেন, দুই দেশই সেনা ও কূটনৈতিক স্তরে পারস্পরিক যোগাযোগ সাধন করেছে। যাতে আলোচনার মাধ্য়মে সীমান্ত সমস্যাগুলিতে শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করা যায়। সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে দায়বদ্ধ ভারত। এক্ষেত্রে দু’দেশের প্রধানদের মধ্য়ে আলোচনার মাধ্য়মে যে ঐক্যমত তৈরি হয়েছে, আমরা তা মেনে চলছি।

Related Articles

Back to top button
Close