fbpx
দেশহেডলাইন

সীমান্তে স্থিতাবস্থা ভাঙার চেষ্টা হলে তার পরিণতি খারাপ, চিনকে হুঁশিয়ারি ভারতের

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: সীমান্তে স্থিতাবস্থা ভাঙার চেষ্টা হলে তার পরিণতি খারাপ হবে বলে ফের চিনকে হুঁশিয়ারি দিল ভারত। ভারত-চিন সীমান্তে সামরিক উত্তেজনা কমাতে হলে গালওয়ানকে নিজের জমি বলে দাবি না করে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় নতুন কাঠামো নির্মাণ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে চিনকে, বলে সাফ জানিয়ে দেয় ভারত । নয়াদিল্লির স্পষ্ট বক্তব্য, গায়ের জোরে স্থিতাবস্থার বদল ঘটাতে চাইলে শান্তি বিঘ্নিত তো হবেই সেই সঙ্গে অভিঘাত অনিবার্য হয়ে উঠবে। তার ফল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককেও আন্দোলিত করবে বলেই কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দেন ভারতের রাষ্ট্রদূত। সীমান্ত সংঘাত নিয়ে চিনের সঙ্গে বৈঠক চলছে দফায় দফায়। তবে সমাধান সূত্র এখনও অধরা।

শুক্রবার বেজিংয়ে  নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত বিক্রম মিশ্রি স্পষ্ট ভাষায় চিনকে বার্তা দিলেন, “বল প্রয়োগ করে পূর্ব লাদাখে চিন স্থিতাবস্থা ভাঙার চেষ্টা করলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তার পরিণাম কিছুতেই ভাল হবে না। মিশ্রি আরও জানান যে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারতীয় সেনাদের পাহারার কাজে বাধার সৃষ্টি করার অপচেষ্টা চিনের বন্ধ করা উচিত। গালওয়ান উপত্যকা তাদের বলে চিন যে দাবি জানাচ্ছে সেটাও কোনওমতেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে বার্তা দেন তিনি।

তিনি বলেন, “প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার এপারে ভারত তার নিজস্ব এলাকায় যে কাজ করছে তাতে চিন কেন বাধা দেবে। ভারত প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার গণ্ডি সম্পর্কে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল এবং সচেতন।” ভারতের রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য চিনকে আরও কঠোরভাবে বার্তা দেওয়ার ইঙ্গিত বলেই কূটনৈতিক মহলের ধারনা। গালওয়ানের ঘটনা নিয়ে ভারত আন্তর্জাতিক স্তরেও চাপ তৈরি করায় অনেকটাই কোণঠাসা চিন। বেজিংয়ের মাটিতে দাঁড়িয়ে সেকথাই স্পষ্ট করতে চেয়েছেন মিশ্রি। ভারতীয় সেনার নিয়মিত প্যাট্রলিংয়ে বাধা দেওয়া বন্ধ করতে হবে চিনকে। কারণ, ভারতীয়দের যাবতীয় কার্যকলাপ নিজেদের এলাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। ভারতের আশা, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা থেকে নিজেদের জায়গায় ফিরে গিয়ে উত্তেজনা প্রশমন করে চিন দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবে।

আরও পড়ুন: ধোঁয়াশা কাটল, চিনা জওয়ানদের মৃত্যুর কথা স্পষ্ট করল বেজিং

এদিকে সেনাপ্রধান এমএম নারভানেও শুক্রবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, চিনা বাহিনীকে সম্মুখ সমরে মোকাবিলা করতে ভারতীয় সেনা সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত। ভারত প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর সবরকম সামরিক প্রস্তুতি গ্রহণও করে ফেলেছেন জওয়ানরা। সেনার প্রস্তুতির কথা নারভানে  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও জানিয়েছেন বলে বিশেষ সূত্রে খবর। লাদাখ ঘুরে এসে সেনাপ্রধানের এই ব্রিফিং ভারতের মনোবলকেও বৃদ্ধি করেছে।

 

Related Articles

Back to top button
Close