fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

নজর রাখতেন দলাই লামার ওপর, RAW-এর কৌশলে দিল্লি থেকে গ্রেফতার চিনা স্পাই চার্লি পেং,

২০১৪ সালে নেপাল দিয়ে বেআইনিভাবে ভারতে ঢোকেন পেং। মিজোরামের এক মহিলাকে বিয়ে করেন। মণিপুর থেকে ভুয়ো পাসপোর্ট করান।

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্কঃ স্বপ্ন সফল হল না। মাঝ সমুদ্রেই ডুবে গেল নৌকো।বহুদিন কোটি টাকার বিনিময়ে  তিব্বতি ধর্মগুরু দলাই লামার ওপরও নজর রাখছিলেন চিনা গুপ্তচর লুও সাং পেং। এজন্য বিভিন্ন তিব্বতি ধর্মগুরুদের প্রায়ই দু’‌ থেকে তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত দেওয়া হত। দলাই লামার ওপর নজরদারি ছাড়াও কোটি টাকার জালিয়াতির অভিযোগেই দিল্লি থেকে গ্রেফতার এক চিনা নাগরিক। তাঁর কয়েক জন সহযোগীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের নামে একাধিক অভিযোগ এনেছে আয়কর দফতর।

রবিবার দিল্লির মজনু কা টিলা থেকে ধৃত তাঁরা।দিল্লির বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি অভিযানে নামে আয়কর দপ্তর। তখনই গ্রেপ্তার করা হয় দলটিকে। পাণ্ডার নাম লুও সাং। তবে চার্লি পেং নাম নিয়ে এদেশে কাজ চালাত সে। বহুদিন থেকেই তাঁর গতিপ্রকৃতির ওপর নজর রাখছিল ভারতীয় গুপ্তচর সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিসি উইং বা ‘র’। ২০১৮ সালে একটি চরবৃত্তির অভিযোগও রয়েছে পেংয়ের বিরুদ্ধে।

২০১৪ সালে নেপাল দিয়ে বেআইনিভাবে ভারতে ঢোকেন পেং। মিজোরামের এক মহিলাকে বিয়ে করেন। মণিপুর থেকে ভুয়ো পাসপোর্ট করান। তখনই নাম নেন পেং। এর পর ভুয়ো আধার কার্ড, প্যান কার্ডও করিয়েছেন। দলাই লামার খবরাখবর জানার জন্য নিজের দপ্তর থেকে ক্যুরিয়রে তিব্বতি সন্ন্যাসীদের টাকা পাঠাতেন পেং। আয়কর দপ্তর তদন্তে নেমে জেনেছে।

চিনা অ্যাপ উইচ্যাট–এর মাধ্যমে শাগরেদদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন পেং। সমস্ত লেনদেনের কাজ সারতেন। দেশে অন্তত ৪০টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে পেংয়ের। এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার জালিয়াতি হয়েছে। কয়েকটি চিনা সংস্থার সঙ্গে হয়েছে এসব। সেসব সংস্থাকে ধরা হয়েছে। আয়কর দপ্তরের সন্দেহ, টাকা নয়ছয়ে তাঁকে সাহায্য করেছেন এসব ব্যঙ্কেরই কর্মীরা। তাঁদের ধরার চেষ্টা করছে পুলিশ। কিছু লেনদেন হংকংয়ের মাধ্যমেও হত। পেং এবং তাঁর সহযোগীরা গত কয়েক বছরে ১০০০ কোটি টাকার কারচুপি করেছে। জিএসটি দপ্তরের সঙ্গে কথা বলছে আয়কপ দপ্তর।

Related Articles

Back to top button
Close