fbpx
কলকাতাহেডলাইন

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে চিৎপুর যাত্রাপাড়া

শরণানন্দ দাস, কলকাতা: করোনা ভীতি কাটিয়ে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে জনজীবন। এই আবহে মুখ্যমন্ত্রী ১ অক্টোবর থেকে যাত্রা, নাটক, সিনেমা হল চালুর সবুজ সংকেত দিয়েছেন।আর মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণায় ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে চিৎপুর যাত্রাপাড়া। যাত্রাপাড়ার দীর্ঘদিনের কুশীলব প্রবীন অভিনেত্রী ও নির্দেশিকা রুমা দাশগুপ্ত বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় আমরা উজ্জীবিত। বড় দুঃসময় গিয়েছে। কিন্ত আমরা দিদির আশ্বাস পেয়েছি, নিশ্চিত ভাবেই ঘুরে দাঁড়াবো।’
বাস্তব ঘটনা হল, করোনা আর লকডাউনের জেরে যাত্রাপাড়া দুয়োর এঁটে ঘুমিয়ে ছিল।

প্রতিবার রথযাত্রার দিন থেকে নতুন পালার বায়না করতে নায়েক বন্ধুরা আসেন। এ বছরের ছবিটা ছিল একেবারে অন্যরকম। নমো নমো করে পুজো সারা হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় পর চিৎপুর যাত্রাপাড়ায় শুরু হয়েছে তৎপরতা। মুখ্যমন্ত্রী টুইটে ঠিক কি বলেছেন? মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘ সব কিছু যখন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরছে তখন যাত্রা, নাটক, সিনেমা, নৃত্য, সঙ্গীতানুষ্ঠান, আবৃত্তি, ম্যাজিক শো সব কিছুই আগামী ১ অক্টোবর থেকে শারীরিক দূরত্ব বিধি মেনে চালু হতে পারে। ৫০ জনের মতো অংশ নিতে পারবেন। মাস্ক পরা ও স্যানিটাইজার ব্যবহার বাধ্যতামূলক।’

আরও পড়ুন: কোভিডে মৃত ও আক্রান্ত পুলিশ বাহিনীর পাশে দাঁড়ালো জেআইএস

রুমা দাশগুপ্ত জানালেন, ‘ আমাদের গতবারের সুপারহিট পালা ছিল ‘ গঙ্গা পুত্র ভীষ্ণ’। মাত্র ৫২টা শো হয়েছিল। এবারও নায়েকরা চাইছেন পালাটা হোক। তাই এবারও এই পালাটা করছি। এছাড়া একটি নতুন সামাজিক পালা করছি। বিজ্ঞাপন করার আগে পালার নাম বলা যাবে না। তবে এটুকু বলতে পারি পালার ভরকেন্দ্র মা। বেশ কিছু নামী শিল্পী এবার আমাদের দলে। এখন আমাদের সমস্যা হল মহলার জন্য ঘর জোগাড় করা। আর একটা সমস্যা হলো আলো ও শব্দ অর্থাৎ লাইট ও মাইকের কাজ যাঁরা করেন তাঁরা দূরের জেলায় থাকেন। তাঁরা এখনও এসে পৌঁছন নি। তবে এসব সমস্যা মিটে যাবো। আমরা আশাবাদী লক্ষ্মীপুজো, কালীপুজোয় পালা নামাতে পারবো।’  চিৎপুর স্বপ্ন দেখছে আবার ধ্বংসের ছাই থেকে ফিনিক্স পাখির মতো সাফল্যের উড়াল দেবে।

Related Articles

Back to top button
Close