fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

চোপড়া কাণ্ডে দুটি মামলায় গ্রেপ্তার ২৪, সরগরম রাজ্য রাজনীতি

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: চোপড়াকাণ্ডে দুটি মামলায় এপর্যন্ত ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে চোপড়া থানার পুলিশ। মঙ্গলবার আদালতে পাঠানো ধৃতদের মধ্যে মৃত ছাত্রীর বাবা ও দুই ভাই রয়েছে। যদিও মৃত ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকেও চোপড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল।

মঙ্গলবার ইসলামপুর আদালতের সরকারী আইনজীবী সঞ্জয় ভাওয়াল বলেন, চোপড়ার ঘটনায় সরকারী সম্পত্তি ভাঙচুর ও আগুনের মামলায় মঙ্গলবার ফের ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। এই মামলায় ধৃত ছয়জনের আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন এসিজেএম মহুয়া রায় বসু। সরকারী সম্পত্তি ভাঙচুর ও আগুনের মামলায় এই নিয়ে ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠালো পুলিশ।

এছাড়াও ছাত্র ফিরোজ আলমের মৃত্যুর ঘটনায় মাধ্যমিক উত্তীর্ণ মৃত ছাত্রীর বাবা ও দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায় চোপড়া থানার পুলিশ। মৃত ছাত্রীর বাবা ও ভাই নিয়ে মোট তিনজনকে ১০ দিনের রিমান্ডের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক মহুয়া রায় বসু। যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন আদালতে জানানো হয়েছিল। পাশাপাশি এদিন ছাত্রের মৃত্যুর ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পুলিশ আদালতে পাঠায়নি বলেও জানিয়েছেন সরকারী আইনজীবী সঞ্জয় ভাওয়াল।

অন্যদিকে আসামী পক্ষের আইনজীবী তপন কুমার মন্ডল বলেন, মামলা সাজিয়ে পুলিশ এদের ফাসিয়েছে। মৃত মেয়ের পরিবারের দায়ের করা মামলার কোনও হদিশ নেই। এটা গট আপ কেস, পুলিশ রিমান্ডের সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করব।

মৃত ছাত্রীর বাবা বলেন, আমি তো আমার মেয়েকে নিয়েই ব্যস্ত ছিলাম, পুলিশ বলছে আমি ওই ছেলেকে খুন করেছি। মৃত ছাত্রীর দাদা , পুলিশ আমার বোনের শেষকৃত্য করাতে আমাদেরকে নিয়ে গিয়েছিল। সেখান থেকেই আমাদের ধরে এনেছে, তবে জানি না কেন ধরেছে।

গোটা ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করছে বিজেপি। যা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক বলে  দাবি করেছেন গোয়ালপোখরের বিধায়ক তথা রাজ্যের শ্রম প্রতিমন্ত্রী গোলাম রব্বানী। তবে ঘটনার দিন পুলিশের সক্রিয়তায় এতো বিলম্ব কেন হলো সেবিষয়টাও আমরা খতিয়ে দেখছি।

অন্যদিকে, জেলা বিজেপির সহ সভাপতি সুরজিৎ সেন বলেন, “ঘটনার ৭২ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও পুলিশ প্রশাসন মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে। মৃত মেয়ের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দু’ঘন্টার মধ্যে সার্বজনীন করে দেওয়া হলেও দিন পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্ত যুবকের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট মিলল না। শাসকদল তৃণমূল পুলিশ প্রশাসনের মদতে মৃত মেয়ের পরিবারকে খুনের আসামী বানানোর ষড়যন্ত্র করেছে যার বলি হলো ওই অভিযুক্ত যুবক”।

ফলে চোপড়া কাণ্ড নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর যত বাড়ছে ও ততই সরগরম হচ্ছে রাজ্য রাজনীতি।

Related Articles

Back to top button
Close