fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

রণক্ষেত্র কেশপুর , তৃণমূলের ‘গোষ্ঠী সংঘর্ষে’ রাতভর বোমাবাজি, মৃত ২

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক:

তারক হরি. পশ্চিম মেদিনীপুর: আবারও একবার শিরোনামে উঠে এল কেশপুরে। বিধানসভা নির্বাচনের আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজ্য রাজনীতি। তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর।রাতভর চলে বোমাবাজি।দু’পক্ষের বোমাবাজিতে মৃত্যু হয়েছে এলাকার দু’জনের। এই ঘটনায় আহত ৫ জন সহ বেশ কিছু। আহতদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশপুর থানার অন্তর্গত দামোদরচক এলাকায়। এই ঘটনায় ১৪ কে গ্রেফতার করল পুলিশ।

জানা গিয়েছে, কেশপুরে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল দীর্ঘদিনের। একই ভাবে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিজেদের মধ্যে একে অপরে বিবাদে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ। তারপর শুরু হয় হাতাহাতি থেকে একেবারে বোমাবাজি। ঘটনাস্থলে বোমার আঘাতে জখম হন শেখ মাজাহার নামে এক চোদ্দ বছরের ছাত্র। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে কেশপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে । একই ভাবে বোমার আঘাতে গুরুতর আহত হয় মোহাম্মদ নাসিম নামে আরও এক তৃণমূলকর্মী। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয় ।এই ঘটনায় জখম হয়েছেন এক মহিলা সহ আরোও দু জন, প্রত্যেকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

ঘটনায় নিহত তৃণমূল কর্মী মহম্মদ নাসিমের পরিবারের দাবি, কেশপুরের বর্তমান ব্লক সভাপতি উত্তম ত্রিপাঠীর ঘনিষ্টরা বৃহস্পতিবার বিকেলে তাঁদের গ্রামেরই এক তৃণমূল কর্মীকে মারধর করে। এই নিয়েই শুরু হয় গণ্ডগোলের সূত্রপাত। এরপর তাঁদের চার দিক থেকে ঘিরে বোমাবাজি করা হয় বলে অভিযোগ মৃতের পরিবারের। মৃত নাসিমের দাদা শেখ তানসুর আহমেদ বলেন “কেশপুরে তৃণমূলের পূর্বতন ব্লক সভাপতি সঞ্জয় পানের সঙ্গে বর্তমান ব্লক সভাপতি উত্তম ত্রিপাঠীর গোষ্ঠী কোন্দলের কথা বারবার দলকে জানালেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। গোটা ঘটনার পিছনে দলের শীর্ষ নেতৃত্বরাই দায়ী”

আরও পড়ুন: রবীন্দ্র সরোবরে ছট পুজোর অনুমতি খারিজ করল ট্রাইবুন্যাল, সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছে কেএমডিএ

হামলাকারীরা প্রত্যেকেই তৃণমূলের এ কথা স্বীকার করে নিয়ে জেলা তৃণমূল সভাপতি অজিত মাইতির দাবি এটি একটি পারিবারিক বিবাদ। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে যাতে দোষীদের গ্রেফতার করা হয় তার জন্য পুলিশকে আবেদন জানানো হয়েছে।  এব্যাপারে বিজেপি নেত্রী অন্তরা ভট্টাচার্য জানান তৃনমুল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্ধের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে । মানুষ সব দেখছে , এখন নিজেদের লোকেরা নিজেদের মধ্যেই মারপিট, খুন শুরু করে দিয়েছে, বিজেপি এই ধরনের রাজনীতিকরে না। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কেশপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। অপরদিকে এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জেলা পুলিশ সুত্রে খবর।

 

 

 

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close