fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বিজেপির ডাকা বনধকে ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ তুফানগঞ্জে, লাঠিচার্জ পুলিশের, গ্রেফতার ২৪

জেলা প্রতিনিধি, কোচবিহার: বুধবার বিজেপি কর্মীকে হত্যার জেরে আজ ১২ ঘন্টার বনধ ডাকে বিজেপি নেতৃত্ব। তারপর থেকেই বেলা যত গড়াতে থাকে ততোই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে থাকে। এই বনধকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল জোড়াই মোড় , বক্সীরহাট , বাকলা বাজার । বনধ সমর্থনে বিজেপির মিছিল, পাল্টা তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়ে কিছু দুষ্কৃতী। এতে একটি পুলিশ গাড়িসহ পাঁচজন পুলিশ কর্মী আহত হয় বলে জানা যায়।

 

এরপরে ছুটে আসে কুচবিহার থেকে পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিক সহ পুলিশের টিম , অবৈধ জমায়েত হাটতে দফায় দফায় লাঠিচার্জ করে পুলিশ। বেশকিছু তীর-ধনুক সহ বাঁশের লাঠি ও কাটা পাথর উদ্ধার করা হয় বিভিন্ন এলাকা থেকে। দিনভর পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিক দের কনভয় ছুটতে থাকে তুফানগঞ্জ ২ নং ব্লকের বকশির হাট, বাকলা , সহ বিভিন্ন এলাকা। পুলিশকে লক্ষ করে বাকলা বাজার এলাকায় রাজ্য সড়কের ওপর বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখানো সময়। ফের লাঠিচার্জ করে জামায়াত হাঁটিয়ে দেয় পুলিশ। তৃণমূল ও বিজেপির মোট 25 জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানান বক্সীরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক এন্টনি হরো। এছাড়াও জমায়েত দেখলে ও দফায় দফায় লাঠিচার্জ করছে পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এলাকায় ।

বলা বাহুল্য, কালী পুজোর ভাসান নিয়ে উত্তেজনার কারণে বুধবার সকালে পিটিয়ে মারার অভিযোগ ওঠে তুফানগঞ্জ বিজেপির বুথ সম্পাদক কালাচাঁদ কর্মকারকে। ইতিমধ্যেই কোচবিহার জেলা পুলিশ সুপার কে কান্নান এই বিষয়ে সুস্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছেন। তদন্ত করে কোনো রকম রাজনৈতিক সংযোগ পাওয়া যায়নি এই হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে বলেও জানিয়েছে পুলিশ। এরপরেও বোটা বিষয়টিকে তৃণমূল কংগ্রেসের চক্রান্ত বলে চালিত করে  ১২ ঘন্টার তুফানগঞ্জ ধর্মঘটের ডাক দেয় বিজেপির জেলা সভানেত্রী মালতি রাভা।এবং সেইসাথে এবং কিভাবে সফল হবে তাও নিজেই দায়িত্ব নিয়ে নেয় বিজেপি নেতৃত্ব।আর সেই কারণেই সাধারণ মানুষের হয়রানি পাশাপাশি শব্দ তুফানগঞ্জ অশান্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন অভিজিৎ দে ভৌমিক।

অভিজিৎ বাবুর কথায়, “বুধবার যে ঘটনাটি ঘটেছে তা সম্পূর্ণ পাড়ার দুই ক্লাবের উত্তেজনা জনিত কারণে হয়েছে, এখানে তৃণমূল কংগ্রেস বা বিজেপির কোনো সম্পর্কই থাকার কথা নয়, কিন্তু এলাকায় উত্তেজনা তৈরি এ কারণে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে সম্পূর্ণ ঘটনাটিকে বিজেপি রাজনৈতিক রং লাগানোর চেষ্টা করছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এবং সেইসাথে সাধারণ মানুষের কাছে অনুরোধ করছি ধর্মঘট পালন করে নিজেদের আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির করবেন না। সামনেই ছট পুজো আড্ডাটা ব্যবসা-বাণিজ্য করুন।”

Related Articles

Back to top button
Close