fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

রাজ্যের কারখানায় বেতন কাঠামো ও স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে তুললেন প্রশ্ন!  শ্রম দফতরকে আচমকা হানার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

অভীক বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা: আনলক পর্বে ইতিমধ্যেই রাজ্যে খুলে গিয়েছে রাজ্যে বেশ কিছু কল কারখানা। কিন্তু বহুদিন বন্ধ থাকার পর উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে অনেক কারখানাতেই নিয়ম মত স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ হচ্ছে না, এমন অভিযোগ উঠছে। এমনকি বেতনও আটকে রাখা হচ্ছে। তাই রাজ্যে খুলে যাওয়া কল কারখানাগুলির শ্রমিকদের হাল হকিকত সহ বেতন সংক্রান্ত খোঁজ নিতে শ্রম দফতরকে বিভিন্ন কলকারখানায় আচমকা হানা দিতে বললেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠকে এমনই নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

এ দিন নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠক চলাকালীন মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা অভিযোগ করেন, কলকাতা লাগোয়া জেলাগুলিতে অনেক কারখানাতেই কর্মীদের পারস্পরিক দূরত্ব না মেনেই কাজ করানো হচ্ছে৷ যার ফলে ওই কারখানাগুলিই করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর কেন্দ্র হয়ে উঠছে৷ ফলে রাজ্যে সুস্থতা বেড়েও পরে ফের অসুস্থতা বাড়তে পারে। এর পরেই এই ধরনের কারখানাগুলিতে আচমকা হানা দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি৷

শ্রম দফতরের অফিসারদের রাজ্যের কল কারখানাগুলিতে আচমকা হানা দেওয়ার জন্য শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটককে নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী৷ যে সংস্থা বা কারখানাগুলি খোলা রয়েছে, সেখানে বেতন বা পারিশ্রমিক ঠিকমতো দেওয়া হচ্ছে কিনা, সেই খোঁজখবর নেওয়ারও নির্দেশ দেন তিনি৷ চা বাগান এবং চটকলগুলির উপরে বিশেষ নজর দিতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী৷ শ্রম দফতরের অধীনে কতজন অফিসার আছেন, শ্রমমন্ত্রীর থেকে তাও জানতে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

শ্রমমন্ত্রীর উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শ্রম দফতর শ্রমিকদের বাঁচার জায়গা৷ শ্রমিকদের যত সাহায্য করতে পারব, পরিবারগুলি বাঁচবে৷ এটা আমাদের বড় দায়বদ্ধতার জায়গা৷ যথাযথ কাগজপত্র জমা দেওয়া সত্ত্বেও সরকারি কোনও অনুমতির জন্য কোনও কারখানা যাতে বন্ধ না হয়ে থাকে, তা যেন নিশ্চিত করা হয়৷’

Related Articles

Back to top button
Close