fbpx
কলকাতাহেডলাইন

জাতীয় শিক্ষানীতিতে ধ্রুপদী ভাষার মর্যাদা পাক বাংলা ভাষাও, হিন্দি দিবসের শুভেচ্ছার মাধ্যমে আবেদন মুখ্যমন্ত্রীর

অভীক বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা: দেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী হয়েও জাতীয় শিক্ষানীতিতে ২২ টি ধ্রুপদী ভাষার মধ্যে উপেক্ষিত খোদ বাংলা ভাষাই। ১৪ সেপ্টেম্বর হিন্দি দিবসে ট্যুইটের মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়ে সেই প্রসঙ্গই উত্থাপন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

পশ্চিমবঙ্গ সব ভাষাকে সমান মর্যাদা দিলেও জাতীয় শিক্ষানীতিতে বাংলা ভাষাকে সম মর্যাদা দেওয়া হয়নি এবং এই ভাষাকে তার প্রাপ্য মর্যাদা দেওয়া হোক, সোমবার টুইটের মাধ্যমে একথা স্পষ্ট করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিনের টুইটে তিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রণীত ‘‌বৈচিত্র‌্যের মধ্যে ঐক্য’‌–র প্রসঙ্গ উল্লেখ করে লিখেছেন, ‘এই রাজ্য বৈচিত্র‌্যের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখার চেষ্টা সব সময় চালিয়ে যায়। পশ্চিমবঙ্গ সরকার বাংলায় হিন্দি শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং হিন্দি সম্প্রদায়ের কল্যাণের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে এসেছে। রাজ্য সরকার হিন্দি, উর্দু, গুরমুখী, অলচিকি, রাজবংশী, কামতাপুরী, কুরুখ ভাষাকে স্বীকৃতি দিয়ে সব ভাষাভাষির মানুষের বিকাশের জন্য নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।” এর পরেই তিনি কেন্দ্রের কাছে আবেদন করেন,  ‘নয়া জাতীয় শিক্ষানীতির ধ্রুপদী ভাষার তালিকায় বাংলা ভাষাকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য যা প্রয়োজন তা করা হোক।’‌
প্রসঙ্গত, সংস্কৃত ও হিন্দির পাশাপাশি নতুন শিক্ষানীতিতে ধ্রুপদী ভাষা হিসেবে গণ্য হয়েছে তামিল, তেলুগু, কন্নড়, মালয়ালম ও ওড়িয়া। কিন্তু ভারতের জাতীয় সঙ্গীত যে ভাষায় রচিত সেই ভাষাকেই ব্রাত্য করা হল, প্রথম থেকেই প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে।‌ রাজনৈতিক মতাদর্শগত বিভেদ থাকলেও এই নিয়ে আগেও শাসকদল তৃণমূলের সঙ্গে সরব হয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। ফের হিন্দি দিবসে টুইটের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সেই সিদ্ধান্তের কথা পুনর্বিবেচনার আবেদন জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।

Related Articles

Back to top button
Close