fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণ

মুখ্যমন্ত্রী মমতা  বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্যদের সম্পত্তি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, মামলা দায়ের হাই কোর্টে  

যুগশঙ্খ, ওয়েবডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্যদের সম্পত্তি অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ার অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করলেন বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি।  তরুণজ্যোতি বিজেপির আইনজীবী সেলের সদস্যও। আগামী সপ্তাহে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটির শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

মামলাকারীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গে পালাবদলের পর মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের সম্পত্তির পরিমাণ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতার পরিবারের সদস্যদের একাংশ বিভিন্ন সময় যে সরকারি হলফনামা উপস্থাপন করেছেন, তাতে বিষয়টি স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে বলে মামলাকারীর অভিযোগ। এ প্রসঙ্গে মামলাকারীর পক্ষ থেকে কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, যিনি মুখ্যমন্ত্রীর ভাই সমীর বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী।

কিছু দিন আগে কলকাতা পুরসভা নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে কাজরী তার দেওয়া হলফনামায় অনেক তথ্য দেননি বলে অভিযোগ মামলাকারীর। এক্ষেত্রে মামলাকারীর পক্ষ থেকে দু’টি সংস্থার নাম উল্লেখ করে বলা হয়েছে, এমন অনেক সংস্থায় ওই দম্পতির নাম নথিভুক্ত থাকলেও নির্বাচনী হলফনামায় সেগুলোর কোনো উল্লেখ করা হয়নি।   কাজরী হলফনামায় দাবি করেছিলেন, তিনি এবং তার স্বামী সমাজসেবার সঙ্গে যুক্ত। তা সত্ত্বেও তাদের এত বিপুল পরিমাণ আয়ের উৎস কী তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে মামলাকারীর পক্ষ থেকে। তারা তাদের ছেলের সম্পত্তির কোনো খতিয়ান উপস্থাপন করেননি বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলাকারীর আরো অভিযোগ, বিভিন্ন রেজিস্ট্রারের কাছ থেকে প্রাপ্ত নথিতে দেখা গেছে, একাধিক সরকারি সম্পত্তি বাজারদরের চেয়ে অনেক কম টাকায় কিনেছেন মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যরা।

এদিকে তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মামলার প্রসঙ্গ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  মমতা বলেন, আমাকে একজন বলল, দিদি আপনার নামে মামলা হয়েছে। আমি বললাম তাই নাকি। এখানে কেন আমার আন্তর্জাতিক মামলা হওয়া উচিত। কারণ এখানে তো বিজেপি যা বলবে, ওরা তাই করবে। মমতা বলেন, আমার মা আমার কাছেই ছিলেন। আমাদের পরিবারের আমার ভাইয়েরা সবাই আলাদা থাকেন। তবে পুজো পার্বণগুলিতে আমরা আবার সবাই এক হই।

 

 

 

 

Related Articles

Back to top button
Close