fbpx
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

আমফান: ধ্বংস করে দিয়ে গেল, আমফানের তাণ্ডবের পর প্রতিক্রিয়া মুখ্যমন্ত্রীর

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: বুধবার বিধ্বংসী ঝড়-বৃষ্টি দেখার সাক্ষী থাকলেন গোটা রাজ্যবাসী। ঘূর্ণিঝড় আমফানের জেরে রাজ্যের সিংহভাগ এলাকা কার্যত ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, সর্বনাশ হয়ে গেল। ধ্বংস করে দিয়ে গেল। আমফান লন্ডভন্ড করে যাওয়ার পর এমন প্রতিক্রিয়াই শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রীর গলায়।

 

 

এদিন সকাল থেকে নবান্নের কন্ট্রোল রুমে বসে পরিস্থিতির উপর নজর রাখছিলেন। প্রতি মুহূর্তের খবর এসেছে তাঁর কাছে। রাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ”এই  বিল্ডিংয়ের (নবান্ন) অনেক ক্ষতি হয়েছে। ভেঙে গিয়েছে অর্ধেক বিল্ডিং। এখানেই এই অবস্থায় হয়, আপনারা কল্পনা করতে পারছেন, সারা বাংলাজুড়ে তাণ্ডব হয়েছে।” এদিন ঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ১৩৩ কিমি। ঝড়-বৃষ্টির জেরে শহরের বহু এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি বহু এলাকায় গাছ ভেঙে পড়েছে।

 

 

মমতা আরও বলেন,”একদিকে কোভিড দুর্যোগ, পরিযায়ী শ্রমিকরা আসছে, এদিকে ঝড় দুর্যোগ। সাংঘাতিক কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করছি আমরা। আমি আজ নিজে উপলব্ধি করলাম। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। টোটালটাই ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। ব্রিজ, রাস্তা, ঘরবাড়ি সবটা। সব খবর তো এখনও পাইনি। বিডিও,এসডিও সকলে আছেন। যা খবর পাচ্ছি, ১০-১২ জনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। বেশিরভাগই গাছ ভেঙে মারা গিয়েছে। ৫ লক্ষ মানুষকে সরাতে পেরেছি। পুরোটা ক্যালকুলেট করতে পারিনি। বিদ্যুত সংযোগ নেই। স্তম্ভিত, খুব খারাপ লাগছে। মাস ছয়েক আগে বুলবুল থেকে বাঁচাতে টোটালটা মেরামত করে দিয়েছিলাম।”

 

 

আমফান পরিস্থিতির মোকাবিলায় তাঁর সরকার তত্পরতার সঙ্গে কাজ করেছে বলেও দাবি করেন মমতা। মনে করিয়ে দেন, ”মাত্র একদিনের নোটিসে আমরা ৫ লক্ষ মানুষকে সরিয়ে নিতে পেরেছি। আমরা যদি এটা সিরিয়াসলি এটা না নিতাম তাহলে জানি না কত লক্ষ মানুষ মারা যেত! ক্ষয়ক্ষতির খতিয়ান জানতে আরও ৩-৪ দিন লাগবে।”

Related Articles

Back to top button
Close