fbpx
কলকাতাহেডলাইন

বাজারদর দেখে উৎসবমুখি বাঙালির মাথায় হাত

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উৎসবমুখি বাঙালির মাথায় হাত। আসন্ন দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই বাড়ছে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম। করোনা আবহে একেই অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড ভেঙে গিয়েছে সাধারন মানুষের। অন্যদিকে প্রতিদিনই চরছে বাজার।
দুর্গাপুজো মানেই বাঙালির আড্ডা, ঘুরে বেড়ানো এবং জমিয়ে পেটপুজো। করোনা পরিস্থিতিতে যাঁরা বাইরে না বেরিয়ে বাড়িতেই ভাল-মন্দ খাওয়ার কথা ভাবছেন তাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ চওড়া হচ্ছে।
প্রায় প্রতিদিনই বাড়ছে পেঁয়াজের দাম। বাজারে গেলেই ছ্যাঁকা লাগছে হাতে। সপ্তাহখানেক আগে কেজি প্রতি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছিল ৪০ টাকায়।
এখন সেই পেঁয়াজ ৭০ টাকা কিলো দরে বিকোচ্ছে। উত্তর কলকাতার পরিচিত মানিকতলা বাজারে নিম্নমানের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৬৫ টাকায়। মহারাষ্ট্রের নাসিকে এবার অতি বৃষ্টির কারণে নষ্ট হয়েছে পেঁয়াজ। ফলে জোগান কমায়, কমেছে আমদানি।টাস্ক ফোর্সের দাবি, সেই জন্যই দাম বাড়ছে পেঁয়াজের। বাজারে গিয়েও প্রায় ফাঁকা ব্যাগ নিয়ে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে অনেককেই।
পেঁয়াজের পাশাপাশি নিম্নবিত্ত মধ্যবিত্ত একমাত্র আশা ভরসা ডিম-এর দামও হু হু করে বাড়ছে। এবার এরই পাশাপাশি ঊর্ধ্বমুখী ভোজ্য তেল এবং ডালের দামও।এই মুহূর্তে অড়হর ডালের দাম ১২০ টাকা কেজি। গত সপ্তাহের থেকে কেজিতে দাম বেড়েছে ২০ টাকা। মুসুরির ডাল ৯০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ টাকা। এক কেজি বিউলির ডালের দাম ১৩০ টাকা।
২০ টাকা দাম বেড়েছে বিগত সপ্তাহের থেকে। অন্যদিকে, সরষের তেলের দামও প্রতি লিটারে বেড়ে গিয়েছে ১৫ টাকা। সূর্যমুখী তেলের দাম বেড়েছে লিটারে ২৫ টাকা। পুজোর মুখে পেঁয়াজ, ডিম ডাল এবং ভোজ্যতেলের মূল্য বাড়ায় চিন্তার ভাঁজ মধ্যবিত্তের কপালে। তাই কেনার পরিমাণ কমিয়ে পকেট সামলাতে ব্যস্ত মধ্যবিত্ত বাঙালি।
তার উপর এই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবের সময় বাড়িতে নাড়ু মুড়ির মোয়া মুরকি সহ বিভিন্ন মুখরোচক খাবার তৈরি করেন। সেক্ষেত্রেও দাম বাড়ছে কাঁচামালের। ছোট সাইজের নারকেল বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা দামে। করোনা পরিস্থিতিতে সবদিক থেকেই উৎসবের মরশুমে চাপের মধ্যে খাদ্য রসিক বাঙালি।

Related Articles

Back to top button
Close