fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

যাহারা ভুলিয়া যান তাদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হইতে পারে না: শুভেন্দু

মিলন পণ্ডা,(পূর্ব মেদিনীপুর): অতীত ভুলে যান। আমি শুভেন্দু অধিকারী সব সময় আমি বলি যেটা দিয়ে শুরু করেছিলাম সেটা দিয়ে শেষ করব। ভীত যাহারা ভুলিয়া যান তাদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হইতে পারে না। তাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হইবে। এটাই হচ্ছে চিরন্তন সত্য। মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামে নন্দীগ্রাম ভূমিরক্ষা আন্দোলনের সৈনিক অমর শহিদ নিশিকান্ত মন্ডলের স্মরণ সভা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে একথা বললেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা নন্দীগ্রাম আন্দোলনের অন্যতম কাণ্ডারি শুভেন্দু অধিকারী।

মঙ্গলবার শুভেন্দু স্মরণসভা মঞ্চ থেকে বলেন, “শুভেন্দু অধিকারী যেদিন আপনাদের কাছে এসেছিল সেদিন কিন্তু আমি আপনাদের এমপি বা এমএলএ ছিলাম না। দক্ষিণ কাঁথির বিধায়ক ছিলাম। আমাকে ২০০৬ সালের ৩ নভেম্বর তেখালির ভাঙ্গা ব্রিজের এই রাস্তা দিয়ে তখন মোরাম রাস্তা ছিল সোনাচূড়া হাই স্কুল মাঠে প্রথম এই আন্দোলনের বীজ বপন করার যে স্মৃতি সেদিন নিশিকান্ত মন্ডল আমাকে নিয়ে এসেছিলেন। তাই এই নেতা না থাকলে এই লড়াইতে আমরা জিততে পারতাম না। অনেকেই অতীত ভুলে যান। কিন্তু আমি শুভেন্দু অধিকারী সব সময় আমি বলি যেটা দিয়ে শুরু করেছিলাম সেটা দিয়ে শেষ করব। অতীত যাহারা ভুলিয়া যান তাহাদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হইতে পারে না।

নন্দীগ্রামের ভূমি রক্ষা আন্দোলনের অন্যতম কাণ্ডারি বলা চলে রাজ্যের মন্ত্রী তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীকে। মঙ্গলবার সকালে এই ভূমিরক্ষা আন্দোলনের অন্যতম অমর শহীদ নিশিকান্ত মন্ডলের স্মরণ সভা অনুষ্ঠানে নন্দীগ্রামের সোনাচূড়াতে উপস্থিত হন শুভেন্দু। আর সেখান থেকেই তিনি সেদিনের নন্দীগ্রামের ভূমিরক্ষা আন্দোলনের স্মৃতিচারণা করেন।
এদিন শুভেন্দু আমফানের ক্ষতিপূরণ নিয়ে বলেন,”যতটা সম্ভব আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করেছি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। নিশ্চিত ভাবে যা ক্ষতি হয়েছে তার একশো শতাংশ পূরণ কেউ করতে পারেনা এবং পারবেও না। কিন্তু যারা দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি বা আপনাদের সেবক সরকারি প্রতিনিধি তারা চেষ্টা করেছে মানুষের কাছে দাঁড়ানোর।

আরও পড়ুন:করোনা সংক্রমণ আটকে দিতে পারে ডেঙ্গু!

যেটুকু ফাঁকফোকর ছিল যেখানে যেখানে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা বঞ্চিত হয়েছেন আমার কাছে খবর আছে আমি আমার বিধায়ক কার্যালয় থেকে সরাসরি প্রতিনিধি পাঠিয়ে তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। আপনাদের আশীর্বাদ এবং সহযোগিতা থাকলে আমরা নিশ্চিত ভাবে এগিয়ে যাব।” এদিন শুভেন্দুবাবু মহামারী করোনার কথা উল্লেখ করে বলেন, “আমাদের ভারতবর্ষে তথা রাজ্যের সঙ্গে সঙ্গে এই জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা অনেক। কিন্তু এটাও খুশির খবর যে স্বাস্থ্য দফতরের লোকেরা, আশা কর্মী বোনেরা- দিদিরা, পঞ্চায়েতের লোকেরা এবং আমরা সবাই আমাদের এই জেলায় আরোগ্য প্রাপ্তির হার দেশে যখন ৮০ ভাগ, রাজ্যের যখন ৮৬ ভাগ আমাদের জেলায় কিন্তু ৮৮ ভাগ। আমাদের জেলায় মৃতের শতাংশ ০.৮৩ মাত্র। এটা সম্ভব হয়েছে আপনারা সবাই সচেতন নাগরিক বলে।”

Related Articles

Back to top button
Close