fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

চিনা কুংফুর পাল্টা ক্রাভ মাগা, ড্রাগনকে রুখতে LAC-তে মোতায়েন হল সেনার কুখ্যাত ‘ঘাতক কমান্ডো’

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্কঃ চিনের মধ্যে অদূর ভবিষ্যতে সমরাস্ত্রের লড়াই না হলেও একটি ড্রাগন সিনেমা দেখতেই পারেন বিশ্ববাসী। লাদাখ সীমান্তে ভারতের সঙ্গে ফের হাতাহাতি লড়াইয়েরই প্রস্তুতি নিচ্ছে চিনের গণফৌজ। সেখানে মোতায়েন সৈন্যদের মার্শাল আর্ট, অর্থাৎ কারাটের তালিম দেওয়ার জন্য প্রশিক্ষক পাঠানো হল সীমান্তে। অন্তত ২ জন কারাটে প্রশিক্ষককে চিনা সেনাকর্মীদের ক্লাস নেওয়ার জন্য তিব্বতে পাঠানো হয়েছে বলে খবর।

তবে ভারতও পাল্টা মারের জন্যে এবার তৈরি থাকছে। চিনা সেনারা কারাটে শিখছে খবর পাওয়ার পরই হাতাহাতি লড়াইয়ে দক্ষ ‘‌ঘাতক’‌ সেনা–কমান্ডোদের একটি দলকে লাদাখ সীমান্তে পাঠানো হয়েছে। প্রচণ্ড, প্রায়–‌অসহ্য শারীরিক কষ্টের মধ্য দিয়ে টানা ৪৩ দিনের তালিম পান এই ঘাতক কমান্ডোরা।  মূলত ইজরায়েলি মিলিটারি মার্শাল আর্ট বা ক্রাভ মাগায় প্রশিক্ষিত এই ঘাতক বাহিনী। ক্যারাটে, জুডো, জিজিতসুর ও হাতিয়ার সম্বন্বয়ে গড়ে ওঠে এই ক্রাভ মাগা।  বেলগামের বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবিরে নিয়মিত ৪০ কিলোমিটার রাস্তা এঁদের দৌড়োতে হয় ৩৫ কেজি বাড়তি ওজন নিয়ে, স্রেফ শারীরিক সক্ষমতা বাড়াতে। এ ছাড়া সশস্ত্র অথবা নিরস্ত্র অবস্থায় নানা ধরনের প্রতিরোধ ও প্রত্যাঘাতের তালিম পান এঁরা। প্রশিক্ষণ শেষে ভারতীয় স্থলসেনা বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত হন, যঁাদের মূল দায়িত্ব থাকে আচমকা আক্রমণে যাওয়া বা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সেনা–‌হামলার বর্শামুখ হয়ে ওঠা। ভারতীয় সেনার প্রতিটি রেজিমেন্টের সঙ্গেই জন করে নিযুক্ত থাকেন ঘাতক কমান্ডোরা।   বড় বাহিনীর মদত ছাড়াই শত্রুপক্ষকে চারদিক থেকে ঘিরে নিয়ে আচমকা হামলা করে বিপর্যস্ত করার বিশেষ দক্ষতা থাকে এঁদের। প্রায় অমানুষিক সক্ষমতার পরিচয় দিতে হয় বলে স্থলবাহিনীর শারীরিক ও মানসিক দিক দিয়ে সবচেয়ে মজবুত সেনা–‌কর্মীদেরই বেছে নেওয়া হয় ঘাতক বাহিনীর জন্য। এঁরা প্রত্যেকেই হাতাহাতি লড়াই এবং বিশেষ করে মার্শাল আর্টে সিদ্ধহস্ত হন।

Related Articles

Back to top button
Close