fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

সরকারি নির্দেশে বিভ্রান্তি, বর্ধমানে জুট মিলের গেট খোলা হলেও থমকে রয়েছে উৎপাদন

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় বর্ধমান: কেন্দ্র ও রাজ্যের নির্দেশিকা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় জুটমিলের গেট খোলা হলেও থমকেই রয়েগেছে উৎপাদন। ক্ষুদ্র শিল্প কারখানা চালু করা যাব বলে ইতিমধ্যেই নির্দেশন জারি করেছে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার । সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে শ্রমিকরা কারখানায় কাজ করতে পারবে বলে নির্দেশিকায় বলা হয়। এই নির্দেশিকা জারির পরেই পূর্ব বর্ধমানের বড়শুলের শক্তিগড় জুট পার্ক কর্তৃপক্ষ তৎপরতা শুরু করেদেন । জুট পার্কের সকল শ্রমিকদের কাজে যোগ দেবার জন্য খবর পাঠানো হয়। কিন্তু সরকারি নির্দেশনামা নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিতেই জুট পার্কে উৎপাদন শুরুর উদ্যোগ পুরোপুরি থমকে গেছে। যা নিয়ে রীতিমতো হতাশ হয়ে পড়েছেন জুট পার্কের শ্রমিকরা ।

জুট পার্ক কর্তৃপক্ষের তরফে শনিবার জানানো হয় ,সরকারি নির্দেশে বলা হয়েছে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে ৫০ জন শ্রমিক এক সঙ্গে কাজ করতে পারবেন।আর শ্রমিক সংখ্যার বিষয়টি নিয়েই সমস্যা তৈরি হয়েছে।কারণ জুট মিলে কাজ করেন ২৫০০ শ্রমিক । প্রতিদিন তিনটে সিফটে কাজ হয় । প্রতি সিফটে শুধু মাত্র রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজন হয় ৩০ থেকে ৩২ জন শ্রমিকের এছাড়াও মিলের এক সাইডের মেসিন চালাতে জনা চারেক দক্ষ শ্রমিকের প্রয়োজন হয় । সেই হিসাবে পুরো জুট মিলের মেসিন চালাতে ৫০ -৬০ জন দক্ষ শ্রমিক লাগবে ।

আরও পড়ুন: এসি-র তাপমাত্রা কতটা রাখা উচিত, তা নিয়ে নির্দেশিকা জারি কেন্দ্রের

অপর দিকে রক্ষণাবেক্ষণ শ্রমিকরা জুট গোডাউন, সপনার কাডিং,ব্যাচিং,ড্রয়িং বিভাগ, টুইসটিং ,বিম,উইভিং,ফিনিসিং প্রভৃতি বিভাগে কাজ করে। মিলের শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা অম্বিকা যশ বলেন,নির্দেশিকা অনুযায়ী যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে তা হল, ‘প্রতি সিফটে রক্ষণাবেক্ষনে নিযুক্ত শ্রমিকদের ধরে ৫০ জন কাজ করতে পারবে । নাকি রক্ষণাবেক্ষণ শ্রমিকদের বাদ দিয়ে ৫০ জন শ্রমিককে নিয়ে কাজ করা যাবে। ’এই বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দেওয়াতেই কর্তৃপক্ষ মিলের গেট খুলে শ্রমিকদের কাজে যোগ দেবার কথা বলেও উৎপাদন চালু করতে পারছেন না।অম্বিকা বাবু জানিয়েদেন , সব প্রস্তুতি নেওয়া আছে । নির্দেশিকা নিয়ে বিভ্রান্তি কেটে গেলেই জুট মিলের উৎপাদন চালু করে দেওয়া যাবে ।

Related Articles

Back to top button
Close