fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

গ্রাম্য যুবকের মারণ ভাইরাসের ওষুধ আবিষ্কারের দাবি নিয়ে বিভ্রান্তি!

নিজস্ব প্রতিনিধি, দিনহাটা:  করোনার থাবা থেকে মানুষকে রক্ষা করতে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা প্রতিষেধক বের করতে  দিনরাত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কঠিন এই সময়ে  দিনহাটা ২ ব্লকের সীমান্ত গ্রামের এক যুবক করোনার ওষুধ আবিষ্কার করেছেন বলে দাবি করেন। এই যুবকের  ওষুধ আবিষ্কার এই দাবি কতটা বিজ্ঞান সম্মত তাকে  ঘিরে  বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ছে গ্রামগঞ্জে বলে অভিযোগ। করোনা মোকাবিলায় যখন নানাভাবে চেষ্টা চলছে তখন ওই যুবক কিভাবে ঔষধ বের করেছে বলে দাবি করে প্রচার করতে সাহস পাচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এ নিয়ে স্বাস্থ্য দফতরের পাশাপাশি ব্লক  প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই যুবকের দাবির কোনও ভিত্তি নেই বলে উল্লেখ করে পুলিশ প্রশাসনকে অবগত করা হবে বলে জানা গেছে।

দিনহাটা দুই ব্লকের নয়ারহাটের ওই যুবক ফজরুল হক। শিক্ষিত যুবক দাবি করেছেন তার এই ওষুধ ছেলে মানুষের শরীরে থাকা করোনাভাইরাস ৩-৪ দিনের মধ্যেই সারতে পারে। যুবক ফজরুল  গোলমরিচ, লবঙ্গ সহ বিভিন্ন ভেষজ উপাদান দিয়ে করোনার ওষুধ আবিষ্কার করেন বলে দাবি করেন। তার ওষুধ খেলে এই রোগের আক্রমণের সম্ভাবনা কম থাকবে বলেও দাবি তার। ইতিমধ্যে তিনি নিজের পরিবার সহ বেশ কিছু মানুষের উপর প্রয়োগ করে সাফল্য পেয়েছেন বলেও জানান।

তার ওষুধ নিয়ে যুবক ব্লকের স্বাস্থ্য আধিকারিক কেশব রায় ছাড়াও ব্লকের  বিডিও জয়ন্ত দত্ত সঙ্গে দেখা করে বিস্তারিত জানান। তারই হাতে তৈরি ভেষজ ওষুধ যাতে খেয়ে মানুষ উপকৃত হয় তার জন্য সে জেলা স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করেন বলেও জানান।
বিষয়টি নিয়ে দিনহাটা দুই ব্লকের ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক কেশব রায় বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের পাশাপাশি চিকিৎসকরা দিনরাত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে আক্রান্ত রোগিদের সুস্থ করে তোলার জন্য। কঠিন এই সময় করোনার ওষুধ তৈরি করে বিভ্রান্ত তৈরি করার চেষ্টা করছে যুবক। অবিলম্বে এই বিভ্রান্তি ছড়ানো বন্ধ না হলে ওই যুবকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও স্বাস্থ্য আধিকারিক জানান।

বিষয়টি নিয়ে ব্লকের বিডিও জয়ন্ত দত্ত বলেন, ওই যুবক যে দাবি করেছেন তার কোনও ভিত্তি নেই। বিভ্রান্তিকর প্রচার বন্ধ করা না হলে খুব শীঘ্রই প্রশাসনিক স্তরে ওই যুবকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে সাহেবগঞ্জ থানা সূত্রে অবশ্য জানা গেছে, এখনও কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

দিনহাটা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক মানবেন্দ্র দাস বলেন করোনার ওষুধ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ালে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

 

Related Articles

Back to top button
Close